না-লিখা

না-লিখার গর্তে পড়ে এরা আছে ঠিকই; লিখা নাই, না-লিখার হতাশা তো আছে! আছে কবিজন্ম, কবিতামুর্হূত। অশরীরী বোধ নাই, আছে ভাবনাহীন অস্তিত্ব বিন্যাস। না-লিখা তো ভালোই, যখন লিখার ভিতরকার জলজ্যান্ত সাপগুলি উঠে এসে দাঁড়িয়ে আছে, ছোবল দিচ্ছে, ঢুকে যাচ্ছে শরীরের ভিতর না-লিখার বিষ। যারা লিখছে, তারা লিখছে তাদেরটাই, আমার না-লিখা লিখার অতীত, চলছে ভবিষ্যতে; হাত-পা নিয়া আগাইয়া যাচ্ছে… ভুস ভুস করে যাচ্ছে সময়… যাক না বাবা, কোথায় যাবে তারা… আমাকে ফেলে দিলে আমার না-লিখাও লিখার ভিতর থেকে উঠে আসতে থাকবে…

নভেম্বর ২১, ২০০৭

আরো পড়তে পারেন

ঐ যে আকাশ নীল!
তোমার জিজ্ঞাসা নিভে আসতেছে… জাগতেছে সন্ধ্যার চাঁদ মৃদু, মন্থর তারারা    ...
রাঙামাটি: ইবুক এবং অ্যান্ড্রয়ে...
দুই হাজার ছয় সালে লিখছিলাম এই কবিতাগুলি। খুব প্ল্যান কইরা যে লেখা হইছিল তা না; বরং লিখতে ল...
জীবনানন্দ’র ‘সমারূঢ়’ নিয়া
  জীবনানন্দ’র এই কবিতা নিয়া কথা বলতে হইতেছে ফেইসবুকের একটা  আলাপের কারণে; কোনএ...
গার্লফ্রেন্ডের জন্য কিছু কথা -...
একটা মেয়ের সাথে হেঁটে যাই আমি কোন কথা না বলেই রাস্তায় শে আমারে দেখছিল। এখন সন্ধ্যা, প্রশ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *