বিনয় মজুমদারের লেখা আলেকজেন্ডার পুশকিনের কবিতা

keep-calm-and-write-poetry-14

বিনয় মজুমদার কইতেছিলেন বিষ্ণু দে’র কথা; উনারা যখন ইয়াং ছিলেন (১৯৫০-এর দশকে) তখন খাতায় লিইখা রাখতেন, বিষ্ণু দে টি.এস.এলিয়টের কোন কোন লাইন নিজের বইলা উনার কবিতায় ঢুকাইছেন। তো, ইন্টারভিউ যারা নিছিলেন তারা বলতেছিলেন; না, না… উনি তো অনুবাদ করছেন, সেইটা কইছেনও। তখন বিনয়রে কথায় পাইছে, কইলেন, কিসের অনুবাদ… “জন্মে, প্রণয়ে, মরণে জীবন শেষ/নয়নে ঘনায় ক্লান্তির মেঘাবেশ’ এইটা হইলো আসলে এই লাইনগুলি: “Birth, copulation and death/that’s all, that’s all, that’s all’.” এইগুলিরে বিষ্ণু দে অনুবাদ কন নাই।

14095694_10153749727412093_1304096770819780583_n

 

তো, পরে কইলেন উনার নিজের কথা, উনি তো রুশ থিকা বাংলায় অনুবাদ করতেন, আলেকজান্ডার পুশকিনের কবিতা অনুবাদ করছিলেন। ওইটা উনার পয়লা কবিতার বই ‘নক্ষত্র আলোয়’ বইতে ছাপাইয়া দিছিলেন। বলতেছিলেন, নিজের কবিতার বইয়ে আবার অনুবাদ লিইখা দিবেন, ব্যাপারটা কি রকম না! আর রুশ থিকা যেই ইংলিশ হইছে, সেইটা পইড়া কারো বোঝারই উপায়ই নাই যে বাংলাটা ওই কবিতা। রুশভাষা জানা কেউ তো আর উনার এই বাংলা কবিতা পড়তে আসবো না! সো, সেইটা আর কওয়ার কি দরকার! তো, ইন্টারভিউয়ার’রা উনারে জিগাইলো ওই কবিতার অনুবাদে তো ছিল “…আর শুনায়ো না সুন্দরী তুমি জর্জিয়ার ওই বিষাদবিধূর গান” – এইটা নিয়া কোন ঝামেলা হয় নাই? উনি কইলেন, আরে, জর্জিয়ারে সিংহল কইরা দিছিলাম তো!… :)

আরো পড়তে পারেন

বিনয় মজুমদারের ফ্যাণ্টাসি
ফ্যাণ্টাসি মানে কি? কিন্তু তার আগে ‘বিনয় মজুমদার’-এর কথাটা বইলা নেই। অনেকেই হয়তো চিনে...
আর্টিস্ট
আমি ঘুমাইয়া যাওয়ার পর চিল আইসা নিয়া যাইতে পারবে তো আমার কান!
মনিং বেলস
গতকাল রাতে কি বৃষ্টি হইছে? সাপগুলা লুকাইছে কই? বেজি’টা বইসা আছে, পথের কিনারে ইনকোয়ারী ক...
ডাইরি: অগাস্ট ০২, ২০১৫।
মিনাবাজারেই গেলাম শেষে, বনানীর আউটলেটে। যাওয়ার প্ল্যান ছিলো না। কিন্তু যাইতে হইলো; মে বি দ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *