মদনমোহনের গানে

maxresdefault

পাস আয়িয়ে কি হাম নেহি
আয়েঙ্গে বারবার
বাহে গালে মে ডাল কে
হাম রোলে জারজার

আঁখো সে ফির ইয়ে পিয়ার কি
বারসাত হো না হো…

সায়েদ ফির সে জনম মে
মোলাকাত হো না হো…

 

আসো গ্রুপ বাইন্ধা কান্দি আমরা। একজনের কান্দা তো সবারই কান্দা। সবাই আমরা আল্লারই বান্দা। যেই সময় আসছে দুনিয়ায়, সেই সময় তো পারমানেন্ট না; এই টাইম চইলা যাবে, আরেক টাইম আসবে; আমরা তাই এই টাইমটারে পুরান বানায়া কানতেছি, এই নতুন সময়ে। একলা একলাই কান্দি আসলে। যদিও অন্যান্যরা আছে, সবারই আছে নিজ নিজ কান্দা। আমার কান্দা ভাই তুমি তাই কাইন্দা দিও না। পারবা না তো। যার যার লাইফ তার তার। এইখানে আমরা এক একজন ইন্ডিভিজ্যুয়াল, তার বাইরে যা আছে, সেইটা হইলো ফ্যামিলি, পরিবার। আমরা তো তা-ও না। তাই আমাদের টাইম বইলা কিছু নাই। একটাকিছু যে থাকতে পারতো আর নাই তার জন্যই কানতে পারতেছি আমরা।

আমাদের ভালোবাসা, আমাদের কান্দা কোনকিছুই থাকবে না। সময়ের কাছে হাত জোড় কইরা বইসা আছি। টাইম, তুমি চলে-যাওয়া খরগোশের মতোন, শাদা শরীর, লাল চোখ, যাইতে যাইতে একবারও ফিরা তাকাবা না? এটলিস্ট মদনমোহনের এই মেলোড্রামাটিক গানটার কথা মনে কইরাও মনে হবে না, কানলাম-ই নাহয়, আরেকটু?

‘তোমার শীত-পোশাকগুলি নাড়ায়া নাড়ায়া আমারে দেখাচ্ছো/তোমার ভবিষ্যত-দিন, আমি নাই সেইখানেও’

 

 

আরো পড়তে পারেন

আজম খান নামের ঘটনার প্রতি শ্রদ...
১. বাংলাদেশ মানে যে ঢাকা শহর - এই সাংস্কৃতিক পরিচয় উৎপাদনই আজম খান-এর মূল কৃতিত্ব। আজম...
তাহার মতো, তাহাদেরই মতো…
একজনের ভালোবাসার মতো আরেকজনরে ভালোবাসা হয় না আসলে। প্রেম-ভালোবাসা একটা ইন্ডিভিজ্যুয়ালিস্টি...
গান-গাওয়াটা হইলো গানের একটা ইন...
গান-গাওয়াটা হইলো গানের একটা ইন্টারপ্রিটেশন। এই যে 'কাছে'তে গিয়া ভাইঙ্গা পইড়া যাওয়া, ‘দূরে’...
'আফরিন, আফরিন...'
Slavoj Zizek-এর একটা জোকস আছে Joseph Stalin’রে নিয়া, Underground (1995 film) সিনেমাট...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *