হিউম্যান ন্যাচাররে ডিল করতে হইলে একটু মিলাইয়া ঝুলাইয়া ভাবতে পারতে হবে…

ডাইভারজেন্ট সিনেমার পোস্টার

বছর দুয়েক আগে ঈদের ছুটিতে ভৈরব গিয়া প্রেসক্লাবে বইসা চুরি’র কাহিনি শুনছিলাম একটা; মনসুর ভাইয়ের বাসার, উনি নিজেই বলতেছিলেন। খুবই ইন্টারেস্টিং কাহিনি। স্পেশালি যেমনে পরে চোরের মুখ থিকা চুরির ঘটনাটারে উনি বাইর করলেন। বাড়ির দেয়ালের পাশে গাছ বাইয়া দুইতলার জানালা পর্যন্ত যাওয়াটা খুবই রিস্কি ব্যাপার, যতো এথলেটিক্যাল অ্যাবলিটিই থাকুক; ডরও লাগার কথা। তো, এইরকম চোরে’রা নেশার একটা অষুধ খাইয়া নেয় চুরি করতে যাওয়ার আগে, তাইলে এতো ডর লাগে না আর। ইজি হয় চুরির কাজ করাটা। সত্যি ঘটনা এইটা। ঢাকার আর্টিজানে যারা অ্যাটাক করছিলো অরাও অষুধ খাইয়া নিছিলো (এইরকম কথা শুনছিলাম)। আইএসএস-এও নাকি কোন যুদ্ধে যাওয়ার আগে সোলজারদেরকে একটা অষুধ খাইয়া নিতে হয়, এর্নাজাইজ করে তখন। আম্রিকান মিলিটারি’রা খাইতে পারে আরো সফিটসটিকেটেড কিছু। এই জিনিসগুলি মনে হইতেছিল Divergent সিনেমাটা দেখতে গিয়া।

ট্রেনিং-টুনিং সব ঠিকাছে, কিন্তু মেইন অপারেশনের আগে শরীরে কিছু কেমিক্যাল ঢুকাইয়া দিয়া কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর ভিতর আটকাইয়া ফেলে একটা গ্রুপরে, যারা আরেকটা গ্রুপরে কোন মেন্টাল ঝামেলা ছাড়াই মাইরা ফেলতে পারে। এমনিতে তো আমরা ভাবি-ই যে ধর্ম, ন্যাশনালিজম বা কোন-না-কোন আইডিওলজির কাভারটা সার্টেন ফিলিংসের ভিতর দিয়া চুরি/ডাকাতি/খুনের ঘটনাগুলিরে জায়েজ কইরা ফেলে। কিন্তু যেই যেই ভাবে করে, সেইটাও পার্ট অফ দ্য গেইম। সায়েন্স, টেকনোলজিক্যাল ইনোভেশন – একটা বড়রকমের ডিসাইডিং ফ্যাক্টর, উইপেন। এমন না যে খুব বাইরে থিকা, চালাকির সাথে কোনকিছু হইতেছে। বরং খুবই ভিজিবল জায়গাগুলিরে আমরা দেখতে চাই না। মেবি ভাবি যে, ধর্ম, ন্যাশনালিজম, আইডিওলজি না থাকলে এইগুলিরে ইউজ করা যাইতো না। তো, এইটারে রিভার্সের সম্ভাবনা আছে। মানে, এইগুলি থাকার দরকার-ই নাই, ধরেন, এক একটা সিরিঞ্জে এক একটা ফিলিংস আছে, জাস্ট ইনসার্ট কইরা দিলেন।

হয় কিন্তু এইরকম। মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার নিউজগুলির এই টেকনিকটা আছে।Nightcrawler Movie-তে এইটা ছিল। বা এখনো ধরেন, ‘জঙ্গি’ যে ধরে র্যাব-পুলিশ। লিনিয়ার কাহিনি নিয়া থাকে। এইখানে চিন্তাগুলি কম্পার্টমেন্টাল। যেমন যিনি কবি, তিনি সিনেমার নায়িকাদের মতোনই, পাদ দিতে পারেন না, কবিতাই লিখেন খালি। এইরকম শুদ্ধতাবাদী সাংবাদিক চিন্তা তো পুরান-ই হয় নাই খালি, বেশ বেকুবির জিনিসই এখন। একটা দুইটা লেয়ার থাকলেই ওই জিনিসরে ডিল করতে পারে না আর মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলি। ডাইর্ভাজেন্ট নতুন সাজেশন দেয়। কয়, হিউম্যান ন্যাচাররে ডিল করতে হইলে একটু মিলাইয়া ঝুলাইয়া ভাবতে পারতে হবে তো!

 

আরো পড়তে পারেন

সিনেমার নায়িকারা হইলো সত্যিকার...
নটিংহিল হইলো আমার দেখা প্রথম হলিউডি সিনেমা যেইটা দেইখা ভালো লাগছিল। রোমান্টিক-কমেডি মুভি। ...
হায়দার; হ্যামলেট, টাবু এবং অডি...
ইন্তেকাম-এর থিকা আজাদি না মিললে রিয়েল আজাদি হাসিল করতে পারবা না – মনে হইতে পারে এই ডায়ালগ ...
পাবলিক ট্রুথ
অ্যাজ গুড অ্যাজ ইট গেটস সিনেমাতে এই জিনিসটা প্রথম খেয়াল করছিলাম। লাস্টের দিকে, জ্যাক ন...
এল মুভি নিয়া
Elle Movie-তে রাইটারের কারেক্টারটা হইতেছে সবচে মজার। মানে, ফানি-ই। একটা মেইল ইগো সে। তার এ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *