এ-কার আর আ-কার

screen-5

ছোট একটা টেকনিকের জিনিস এইটা, অনেকেই খেয়াল করার কথা, কিন্তু খোলাখুলিভাবে খুব কম কথা-ই হইছে মনেহয়, এই এ-কার আর আ-কার নিয়া।

বাংলায় কাজ-কাম বুঝাইতে যেই ওয়ার্ডগুলা আছে, সেইগুলা খেয়াল করলে দেখবেন এ-কার দিয়া লেখলে একরকম লাগে, আর আ-কার দিয়া লেখলে পুরা অন্যরকম লাগে; মনে হবে যেন আরেকটা দুনিয়াই ক্রিয়েট কইরা ফেলছেন! যেমন, বললে/বললা, দেখলে/দেখলা, বলবে/বলবা, শেখালে/শিখাইলা… এইরকম শ’য়ে শ’য়ে পাইবেন। লেখার টোন’টাই পুরা চেইঞ্জ হয়া যায়।

তো, ব্যাপার’টা মোর বাংলা হয়া উঠবো – তা না, কিন্তু আমরা বাংলাদেশে বলার সময় তো আ-কার’টাই বেশি ইউজ করি। কিন্তু বাংলা লেখা ব্যাপারটা যেহেতু কলকাতা-সেন্ট্রিক ছিল, এই কারণে অইখানের ডায়ালেক্টে যেহেতু ‘এ-কার’ এর চল’টা বেশি, অইটারে বেশি ‘কারেক্ট’ মনে করার মতো একটা ভুল ধারণা এখনো আছে। ভাষা থিকা ডায়ালেক্টগুলারে মুইছা ফেলতে হবে বা ‘আঞ্চলিক ভাষা’ হিসাবে বাঁচায়া রাখতে হবে – এইটা খুবই ভুল একটা প্রিমাইজ, আলাপ করার। মানে, ‘বললে’ লিখলেই জিনিসটা ‘শুদ্ধ’ – তা না, কিন্তু ‘বললা’ ইউজ করলে দেখবেন বাংলাদেশের অডিয়েন্সরে বেশি কানেক্ট করতে পারার কথা। Continue reading

ইংরেজি শব্দ, বাংলা ওয়ার্ড…

english-word-origins

তখন মনেহয় ক্লাস সিক্স বা সেভেনে পড়ি, একটা গল্প বা রম্য-রচনা পইড়া পুরা বোকচোদ হয়া গেছিলাম, কারণ কিছুই বুঝতে পারতেছিলাম না; পারতেছিলাম না একটা শব্দের কারণে। লিখছিলেন মনেহয় আলী ইমাম, শাহরিয়ার কবির বা এইরকমের কেউ, যারা অই আমলে কিশোর, মানে টিনএইজদের জন্য লিখতেন। শব্দটা ছিল, ডিক্টেটর। একজন ডিক্টেটর কি করেন, কেমনে ঘুমান, কেমনে খাওয়া-দাওয়া করেন, এইসব নিয়া ফান করা। তো, ডিক্টেটর কি জিনিস সেইটাই তো জানি না আমি! আর ইংলিশে স্পেলিংটা লেখাও নাই যে ডিকশনারিতে খুঁজতে পারবো। তখন যেহেতু গোয়েন্দাদের বই পড়ি কিছু, ডিটেকটিভ শব্দটা জানি। কিন্তু ডিটেকটিভরে নিয়া এতো ফান করার কি আছে! পরে যখন জানতে পারলাম ডিক্টেটর মানে স্বৈরাচার তখন বুঝতে পারলাম যে, ও, আচ্ছা, এরশাদরে নিয়া লিখছে! তো, লেখাটা যতোটা না ফান, তার চাইতে জেলাসিই বেশি ছিল মনেহয়, এই কারণে ফানটা জমে নাই তেমন। আর আমার ধারণা, রাইটার ইচ্ছা কইরা স্বৈরাচার না লেইখা ডিক্টেটর লিখছিলেন, কারণ নিউজপেপারে সবসময় স্বৈরাচার লেখা হইতো (চিন্তা করেন, কি রকম ফ্রি একটা টাইম ছিল তখন!), শব্দটা পরিচিত ছিল, তো অইটা লিখলে সাথে সাথে কানেক্ট করা যাইতো যে, এরশাদরে নিয়া লেখছে, এই কারণে মেবি এই শব্দটা লিখছিলেন।…

এখন ব্যাপারটা যে খালি ইংরেজি শব্দ – তা তো না, যেই জিনিসটারে বুঝাইতে চাইতেছে, সেই ব্যাপারটাই তো ‘ইংলিশ’! মানে, ডিক্টেটর বা স্বৈরাচার টার্মটা বাংলা-ভাষার হিস্ট্রিক্যাল রেফারেন্সে তো নাই, কি থাকতে পারে… জালিম?… বা অন্য আরো কিছু… কিন্তু সেইটা কোনভাবেই স্বৈরাচার না। মানে, কাছাকাছি রকমের জিনিসই, কিন্তু একই জিনিস না। ব্যাপারটা এইরকম না যে, স্বৈরাচারের ইংলিশ হইতেছে ডিক্টেটর, বরং স্বৈরাচার হইতেছে ডিক্টেটরের বাংলা। দুইটা একই ঘটনা না। তো, আমার ধারণা হাজার হাজার না হইলেও শ’য়ে শ’য়ে এইরকম ইংরেজি শব্দ থাকার কথা, বাংলা ভাষায়; যেইটার রেফারেন্স (বা সূত্র) হইতেছে ইংরেজি ভাষায়। এক সময় হয়তো ফার্সি ভাষাতে ছিল এই রেফারেন্সগুলা।

মানে, আমি যেই পয়েন্টটা মেইক করতে চাইতেছি, সেইটা হইতেছে, যে কোন শব্দই একটা কালচারাল রেফারেন্সের ঘটনা। উইথইন দ্য কালচারও। যেমন ধরেন, খোয়াব কইলে দাদি-নানীদের কথা মনে হইতে পারে, বা ‘গ্রাম-বাংলা’র কথা :) (যদিও গান আছে, “আমি স্বপ্ন দেখি, মধুমালার মুখ রে…”), স্বপ্ন রিলেটিভলি ‘আধুনিক বাংলা’, ‘বাংলা মিডিয়াম’-ও কিছুটা; এর পাশাপাশি ড্রিমও কিন্তু বাংলায় এখন অনেকটা, কারণ আমরা যারা ‘শিক্ষিত’ তারা সবাই ড্রিম বুঝি তো! কিন্তু তাই বইলা ইংরেজি ভাষায় ড্রিম যেইরকম অ্যাসপায়ার, উইশ, হোপ নানান রকমের আছে, বাংলার ড্রিম অইরকম জায়গাতে খুব কমই যাইতে পারে মনেহয়।

মানে, কথাটা খালি এইটা না যে, ইংরেজি শব্দগুলাও বাংলা-ই অনেক সময় – এইটা তো আছেই (বা বাংলা অনেক শব্দও ইংলিশে বাংলাতেই কইতে হবে আসলে, যেমন ধরেন, খিচুরিরে মাসালা রাইস কইলে খিচুরি বুঝানো যাবে না আসলে, বা ম্যাশ পটেটো দিয়া আলু-ভর্তা… মানে, একই জিনিস হবে না); বরং শব্দ জিনিসটারে ইংরেজি, ফার্সি, পর্তুগিজ, সংস্কৃত, হিন্দি, উর্দু… এইভাবে দেখার যে তরিকা সেইটাই ঝামেলার জিনিস মনেহয়। এমন না যে, এইভাবে আইডেন্টিফাই করা যায় না, কিন্তু এইরকম দাগানোটা বরং স্বৈরাচার ও ডিক্টেটর টাইপের ঝামেলা তৈরি করে, যেইরকম করে লেবার ও শ্রমিক; মানে, লেবার তো আসলে ‘বেশি বাংলা’; যেইরকম ‘সাইডে, সাইডে…’ বেশি বাংলা ‘সরে যান’ থিকা। তো, এইরকম ইংরেজি শব্দগুলা ‘বাংলা’ বইলা ‘ডিক্টেটর’ বাংলা না, বা এর এগেনেস্টে ‘স্বৈরাচার’-ও। এখন তাই বইলা ইংরেজি শব্দের বাংলা কি করা যাবে না? এইখানে আমার কথা হইতেছে, কি বাংলা বানাইতেছেন, সেইটা খেয়াল করাটা দরকার। এইখানে ডিক্টেটরের বাংলা স্বৈরাচারই করতেছেন না খালি, জালিম’রেও যে রিপ্লেইস করতেছেন, এই বুঝ থাকাটা দরকার মনেহয়।… Continue reading

অন স্যাডনেস

isha-home-mystic_new

ইন্ডিয়ার সদ্গুরু’র কিছু ভিডিও দেখছিলাম, কয়েক বছর আগে। অইখানে একটা ভিডিও’তে উনি বলতেছিলেন, কি হইছিল উনার সাথে, বা উনার কনশাসনেসের জায়গাটা কেমনে চেইঞ্জ হইছিল, একটা ঘটনাতে।

উনি ছিলেন একটা ছোট শহরের কন্টাক্টার। একদিন উনার কাজের জায়গা থিকা ফিরার পথে, মোটর সাইকেলে আসতে আসতেই ভয়াবহ রকমের খারাপ লাগতে শুরু করলো উনার। চোখ বাইয়া পানি নামলো। কানতেই থাকলেন। দুপুরের দিকের ঘটনা। তো, তখন বাড়িতে না গিয়া, লোকজন আড্ডা মারতে যায় বা স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা ডেটিং করতে যায়, এইরকম কোন পুরান দুর্গের পাশে গিয়া বইসা রইলেন। উনার কান্দা আর থামে না। সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে গেলেন। তখনো কানতেছেন। খাওয়ার টেবিলে বইসাও। খাইতেও পারতেছেন না। ফ্যামিলির সবাই তো অস্থির, কি হইছে! উনি নিজেও বলতে পারতেছেন না। কানতেই থাকলেন। ভিতরে কিছু একটা হইতেছিল, উনি নিজেও জানেন না। এইরকম অবস্থা মেবি তিন দিন চললো। পরে পরে ধীরে ধীরে শান্ত হইতে পারলেন। এইরকম।

মানে, একটা সাডেন স্যাডনেসের অ্যাটাক হইছিল উনার। উনার কথা-বার্তা খুব আধ্যাত্মিক – এইরকম কিছু মনেহয় নাই আমার, কয়দিন আগে দেখলাম বাংলাদেশ নিয়াও কথা বলছেন উনি; তো, কনশাসনেসের একটা লেভেল থিকা উনি কথা বলেন – যেইটারে ‘হায়ার গ্রাউন্ড’ বলা যায় মেবি।

তো, এইট ঘটনা না। আমি স্যাডনেসের জায়গা’টা নিয়া বলতে চাইতেছি। একটা ইউনিভার্সাল স্যাডনেসের একটা জায়গা আছে। যেমন ধরেন, ইশিগুরু’র ‘নেভার লেট মি গো’ – এইরকম একটা স্যাডনেসের জায়গা।

আরো দুয়েকটা ঘটনার কথা বলি। একবার টিভি’তে দেখছিলাম, একজন গায়ক আছেন নামকরা, সিলঅটি, সৈয়দ একরামুল ইসলাম (নাম’টা কিছুটা ভুল হইতে পারে, পরে কেউ মনে করায়া দিলে, ঠিক করে নিতেছি)। উনি হাছন রাজা’র গান গাইতে গাইতে এক কাহিনি বলতেছিলেন, কেউ একজন হাছন রাজার লগে দেখা করতে গেছুইন, আছরের ওয়াক্তে, গিয়া দেইখন যে, হাজন রাজা নামাজ পড়তেছেন, যখন উনি সিজদায় গেছুন, সিজদা থিকা তো আর ফিরেন না, সিজদায় পইড়াই কানতেই আছেন। কানতে কানতে মাগরিবের ওয়াক্ত চইলা আসলো… হাছন রাজা তখনো কানতেই আছেন। বইলা একরামুল ইসলাম তো কানতে লাগলেন টিভি ক্যামেরার সামনে।… Continue reading

কালচারাল মিডল-ক্লাস নিয়া ১

15-telefilm

দেখতে দেখতে ঢাকার (বা বাংলাদেশের) কালচারাল মিডল-ক্লাস জিনিসটা নাই হয়া যাইতেছে। কোন কিছু তো একবারে নাই হয়া যায় না, তাদের ডমিনেন্সের জায়গাটা ইনভ্যালিড হয়া উঠছে অলরেডি। (ধানমন্ডি লেকের পারে, ঢাবি’র চারুকলার বাইরে আর ছায়ানটের ভিতরে, কয়েকটা সেমি-এলিট স্পেইসে কিছু ধ্বংসাবশেষ, ওয়ার্ল্ড লোকাল হেরিটেজের অংশ হিসাবে আরো কিছুদিন মনেহয় থাইকা যাবে।)

এই কালচারাল ক্লাসটা এমার্জ করছিল ১৯৬০’র দিকে। কলকাতার কালচারাল ময়দান থিকা মাইগ্রেট করা আর দেশের অন্য শহর থিকা জড়ো হওয়া কলেজ-ইউনিভার্সিটি পাশ করা, সরকারি চাকরি করা, আর্ট-কালচার করা বা বুঝদার লোকজনরাই ছিলেন এইখানে। এখন উনাদের মাতবরি নাই হয়া যায় নাই, তবে কইমা আসতেছে।

এই কারণে না যে, এইখানে একটা সাব-অল্টার্ন বিপ্লব হয়া গেছে :) বরং উল্টাটা। একটা গ্লোবাল ক্লাস চইলা আসছে। যারা খালি লোকাল না, গ্লোবাল বইলাই লোকাল। ওরহান পামুক তার একটা লেখায় এই ক্লাসটার কথা কইতেছিলেন। সারা দুনিয়ার এলিটরা – চীন, জাপান, ইন্ডিয়া, ইউরোপ, মেক্সিকো, আম্রিকা, কানাড, অস্ট্রেলিয়া… সবদেশের এলিটদের একটা কমন জায়গা তৈরি হইতেছে। তো, আমার ধারণা, এরা খালি একটা ক্লাস না, তাদের কনজাম্পশন প্যাটার্নের ভিতর দিয়া তারা একটা স্পেসিস হিসাবে এমার্জ করতেছে। উদাহারণ হিসাবে ‘ওমেগা-থ্রি’ ডিমের কথা কইতেছিলাম একবার, বা অরগানিক ফুড, হাবিজাবি অনেক জিনিস আছে।

মানে, আমি এনভায়রনমেন্ট-সেন্সিসিটিভনেসটারে মকারি করতেছি না, কিন্তু এইটা একটা পার্ট। যেমন, কয়দিন আগেও ছিল এই জিনিসগুলা যে, আফ্রিকা’তে মানুশ না খায়া মরতেছে, সিরিয়াতে মানুশ মারা যাইতেছে… এইগুলা কনসার্ন হওয়ার মত জিনিস না – তা না; এইসব ইস্যুতে সাবস্ক্রাইবড হইতে পারাটা প্রাইমারি একটা ঘটনা; তারপরে ধরেন, আপনি আফ্রিকা ঘুইরা নিজের চোখে দেইখা আসছেন, সিচুয়েশন আসলে এতোটা খারাপ না, কিছু ডেভোলাপমেন্টও হইতেছে, এইরকম। :) পূর্ব-ইউরোপের দেশগুলাতে কয়েকটা বছর থাইকা আসাটা বরং আরামের।… Continue reading

ভাসানী সিনড্রোম

9884e2ce04ed64d09dfe34778cd3e673-5a0e5d7550a43

এই জিনিসটা নিয়া কয়েকবারই বলছি, কিন্তু ঠিকঠাকমতো বলা হয় নাই। আর মওলানা ভাসানী’রে দিয়া জিনিসটা বুঝা গেলেও, ব্যাপারটা খালি ভাসানী’রই ছিল বা আছে – তা না; আমার মধ্যেও জিনিসটা ফিল করছি আমি অনেকসময়, আর অন্য অনেকের ভিতরই লোকেট করা যাইতে পারে মনেহয়।

তো, ভাসানীর ঘটনা’টা আগে বলি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ চলতেছিল, তখন তো উনি বাঁইচা ছিলেন, কিন্তু কই ছিলেন? বা কি করতেছিলেন? মানে, এইরকম খুবই বড় একটা ঘটনার সময় উনার মতন বড় একজন লিডার কি করতেছিলেন – এইটা মোটামুটি খোঁজ-খবর কইরা বাইর করতে হবে আমরা’র। (তার মানে, আবার এইটা না যে, উনি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ছিলেন; উনি তো শেখ মুজিবের আগেই “আসসালামুয়াইলকুম” কইছিলেন। বা উনারে সাইড-লাইনে ফালায়া রাখা হইছিল আসলে – এই জিনিসটাও খুব বেশি কনভিন্সিং মনেহয় না আমার কাছে।)

আর এইটাই একমাত্র ঘটনা না, শেখ মুজিবুর রহমানের নামে যেই বই ছাপা আছে – ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, সেইখানে এইরকম দুয়েকটা ঘটনার কথা আছে। ২৫৫ নাম্বার পেইজে আছে, “মওলানা ভাসানীর দরকারের সময় এই আত্মগোপনের মনোভাব কোনদিন পরিবর্তন হয় নাই। ভবিষ্যতের অনেক ঘটনায় তার প্রমাণ হয়েছে।” মানে, ক্রিটিক্যাল একটা মোমেন্ট, কোনকিছু করা লাগবে, কোন ডিসিশান নিতে হবে, ভাসানী তখন ‘অভিমান’ কইরা বসলেন। এইরকম।

শেখ মুজিবুর রহমান ধারণা করছেন, ভাসানী যেহেতু ইংলিশ ভালো জানতেন না বা স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করেন নাই, উনার মধ্যে একটা ইনফিরিয়টি কাজ করতো। তো, এই জিনিসটা আমার কাছে এতোটা ‘সত্যি’ মনেহয় না। সব মানুশের মধ্যেই কিছু ইনফিরিয়টি-সুপিরিয়টি, হাবিজাবি জিনিস থাকে। মানে, একজন মানুশ ‘নিখুঁত’ কোন জিনিস না, আর সেইটা হইলে তারে মানুশ বইলাই মনে হবে না; বরং এই জিনিসগুলারে সে কেমনে ডিল করতেছে বা এক্সপোজ করতেছে, সেইটাই ঘটনা’টা।

ক্রুশিয়াল মোমেন্টে ভাসানী পালায়া যাইতেন – এইরকম না। যখন আপনার পাবলিকলি অ্যাক্ট করার কথা, তখন ইনঅ্যাক্টিভ হয়া পড়ার ঘটনা ঘটতে পারে।

কেন ঘটে? – এই জিনিসটা মেবি এতোটা সার্টেন না। পারসোনাল ইনফিরিয়রিটির জায়গাগুলা যে কাজ করে না – তা না; ইংলিশ না-জানা না, মানুশজন যদি মনে করে ভাসানী বুইড়া, পাত্তা না দিতে চায়, দুয়েকটা ফাউল টক করে, তখন উনি সেইটারে স্পোর্টিংলি নিয়া কাউন্টার দেয়ার চাইতে চুপ থাইকা নিজেরে ‘প্রমাণ’ করার কথাও ভাবতে পারেন। বা ইভেন ধরেন, পাজামা না পিন্দা লুঙ্গি পিন্দেন বইলাই হয়তো আনইজি লাগতে পারে।… মানে, পারসোনাল ইস্যুগুলা পাবলিক ইভেন্টে ক্রিটিক্যাল হয়া উঠতেই পারে, পসিবল এইটা। কিন্তু কোন পারসোানল ঘটনা কেমনে কোন পাবলিক ইভেন্টে রিলিভেন্ট হয়া উঠে, সেইটা এতোটা স্পেসিফিক হওয়ার কথা না, সবসময়। Continue reading