মিনিং

পেইন্টিং বাই আফ্রিদা তানজিম।

এই জিনিসটারেই আমি সবচে বেশি ডরাই এখন; ‘মিনিং’ তৈরির করার অথরিটি’টারে। আফ্রিদা’র মরা’র খবর যেইভাবে প্রথম আলো পত্রিকায় ছাপা হইছে; যে উত্তরা’র একটা বাসায় ভাড়া থাকা, ব্র্যাক ইউনির্ভাসিটিতে ফার্স্ট ইয়ারে পড়া একটা মেয়ে। আরো দুইটা মেয়ে’র মরা’র খবরের সাথে, একটা ইস্যু হিসাবে যে, দেখেন, শহরে মেয়েদের কি বাজে অবস্থা!

নো মোর অ্যান আর্টিস্ট! এই যে আইডেন্টিটি’টা হাজির করলো প্রথমালো, এইটা মিথ্যা না; স্ট্রিকলি সোশ্যাল একটা ‘মিনিং’। যেইটুক বলা হইলে একটা জিনিস ‘সত্যি’ হইতে পারে, তার ভিতরে ঘটনা’টারে আটকায়া ফেলা। আমিও রোড অ্যাকসিডেন্টে মরলে, ‘বেসরকারি কর্মকর্তা’ হইতে পারবো; প্রথমালো’তে না পারলেও কোন অনলাইন নিউজপোর্টালে, নিউজ ক্রাইসিসে থাকা কোন সাব-এডিটরের ঘন্টার টার্গেট ফুলফিল করার লাইগা। খুবই ‘সত্যি’ কথা হবে সেইটা। কিন্তু এইটারে ‘মিনিং’ হিসাবে পারসিভ করাটাই সমস্যা।

তো, মজার জিনিস হইলো, এই ভোকাবুলারিগুলি এখন জানি আমরা। এই কারণেই, এই ন্যারেটিভগুলির ভিতরে আমরা আর আটাইতে পারি না নিজেদেরকে। কিন্তু কে কেমনে মোকাবিলা করি – সেইটাই ঘটনা হয়া উঠে। ব্যাপারটা সো-কল্ড মেইন মিডিয়া ভার্সেস সোশ্যাল মিডিয়া না। এইটা হইলো একটা ন্যারেটিভের ভিতর একটা ঘটনারে হাইড করা। এইভাবে সার্টেন ইস্যু, সার্টেন ইমেজ, সার্টেন মিনিংয়ের কাছে শব্দগুলি আর সোসাইটি বন্ধক পইড়া থাকেও না কোনদিন। বরং যারা আমরা শব্দগুলিরে, ঘটনাগুলিরে মাইরা ফেলতে চাই, ওরা-ই একদিন আমাদেরকে মাইরা ফেলতে পারে! হিস্ট্রি তো স্ট্যাটিক কোন জিনিস না। কিন্তু একটা রিডিউসড ন্যারেটিভের মতো বাজে জিনিস আর কিছু হইতে পারে না আসলে।

Continue reading

কবি-বন্ধু

শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, মহাদেব সাহা আর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ছবি: আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন ভার্সন থিকা নেয়া।

বিনয় মজুমদারের এই কথাগুলি পইড়া পয়লা কি হইতে পারে? মনে হবে, অভিমান! পুরান ফ্রেন্ডদের উপ্রে বিলা হইয়া এইসব কইতেছেন। উনার তো এমনিতেই মাথা ঠিক নাই। একচুয়ালি এইসব উনি মিন করেন নাই, আসলে অভিমানই করতেছেন।

একটু পরে যদি আপনি মাইনাও নেন, বিনয় মজুমদারই তো কইছেন, তারপরও মনে হবে – এইভাবে হয়তো বলেন নাই উনি, পড়তে যতোটা হার্শ লাগতেছে। একটা বয়সের পরে পুরান ফ্রেন্ডদের উপর এইরকম ক্ষোভ, অভিমান থাকেই। একটা ডিসট্যান্স তো তৈরি হয়…

 

পেইজ ১

পেইজ ১

 

পেইজ ২

পেইজ ২

Continue reading

দুইটা খবর

Brief_0

দুইটা খবরের দুইটা লাইনে চোখ আটকাইলো, মানে ভাবা লাগলো (ভাষা বাল, রেটরিকে ভরপুর!)।

একটা হইলো, ঢাকা ট্রিবিউনের। http://bit.ly/29MCu8F। উদিসা ইমনের শেয়ারটার কারণে দেখলাম। ওইখানে, একজন কইতেছিলেন, “ছাত্র পরিচয় দিয়েছিল, দেখতেও ছাত্রদের মতোই।“ মানে, একটা লুক আছে, যেইটা দিয়া আপনি বুঝতে পারবেন উনি ছাত্র, উনি গার্মেন্টস ওয়ার্কার, উনি সাংবাদিক, উনি ব্যাংকার, এইরকম…। লুকটারে নিতে পারলেই কিন্তু হইলো, আবার ছাত্র হইয়াও ছাত্র’র মতো না দেখানোর কারণে আপনি ছাত্র নাও হইতে পারেন। আর ছাত্র হইলে যে জঙ্গী হইতে পারবেন না, এইটা তো সবাই বিলিভ করে। মানে, ট্রুথের চাইতে ট্রুথের পারসেপশনটাই জরুরি সবসময়। আমি ভালোমানুষ, তার চাইতে জরুরি হইতেছে নিজেরে ভালোমানুষ দেখানোটা। দ্যান, ইটস ডান। এইরকম দাড়ি দেইখা রাজাকার বানাইছি আমরা, জিন্স দেইখা স্টুডেন্ট বানাইতেছি, লুঙ্গি দেইখা রিকশাওলা। এই বানানো (প্রটোটাইপ) রিয়ালিটি থিকা বাইর না হইলে রিয়ালিটিরে দেখতে পাওয়ার চান্স আসলেই অনেক কম।

Continue reading