ইন্টারভিউ উইথ কীর্তিকলাপডটকম

377575_10151220257002093_742719351_n

তালাশ তালুকদার: কবিতার কোন সংজ্ঞাটিরে আপনার বিবেচনায় প্রমিনেন্ট মনে হয়? কবিতা নিয়া আপনার আইডিয়া, চিন্তার কথা বলুন। কবিতা নিয়া আপনার কোনো মিশন আছে কি?

ইমরুল হাসান: ইমেজই কবিতা। এইরকম লিখছিলাম একটা সময়। ওইটার কথাই মনে হইতেছে এখন।

কবিতার বাইরে গিয়া কবিতার কথা বলতে গেলে বেশ আন-রিয়েল মনেহয়। মানে, বলা-টলা গুলা বেশ ভচকাইয়া যায়, কোন মিনিং তৈরি করতে পারে না, বেশিরভাগ সময়ই এই সমস্যাটা হয় আমার। এমনিতে দুইটা ট্রেন্ডের কথা মনে হইতেছে – যাঁরা কবিতারে তাঁদের বু্দ্ধি, ভাবনা, জীবন-বাস্তবতা ব্লা ব্লা ব্লা বলার মিডিয়াম হিসাবে ইউজ করেন, সহজ-সরল প্রাকটিস করেন; আবার সিমিলারলি আরেকটা ট্রেন্ড আছে জোর কইরা রহস্য, কল্পনা পয়দা করতে থাকেন, যা কিছু জানা আছে, তারে অ-জানা বানাইতে থাকেন; এই দুইটা ট্রেন্ডই কবিতারে মিনিমাইজ করার একটা প্যার্টান; মানে, কবিতা বা আর্ট ঠিক রিয়ালিটিটারে রিপ্রডিউস করে না বা আজাইরা কিছু জিনিসও না, বরং একজেগ্ট রিয়ালিটিটারে ক্রিয়েট করতে পারার ঘটনাই।…

কবিতা নিয়া প্রি-ফিক্সড কোন মিশন আমার নাই।

তা. তা.: আপনার কবিতা লেখার প্রসেসটা বলেন? ভাবনা থেকে সৃজন পর্যায়ে নিয়া যাইতে কি করেন? (মানে, খেলার আগে ওয়ার্মআপ!) -লেখার আগে একটু পইড়া নেন? নাকি দিব্যি দেখাইতে চান আপনার যাপনচিত্র- নাকি পুরোটাই শ্রম দিয়ে একটা বায়বীয় মেশিনকে সামনে দাড় করান?

ই. হা.: কনশাসলি ভাবি নাই কখনো প্রসেসটারে। কোনএকটা কিছু মনে-হয়, সেই মনে-হওয়া থিকা মনেহয় জিনিসটা ছড়াইতে থাকে। এই মনে-হওয়াটাও একদমই যে ইরিলিভেন্ট সেইটা না, বাঁইচা থাকার ভিতরের একটাকিছুই, যেইটা ফিল করতে পারলাম আমি আর কানেক্ট করতে চাইলাম এইরকম একটা ডিজায়ারের ভিতর দিয়া হয়তো আগাইতে থাকে।

তবে কোন বই, গান এইসবকিছু থিকা আসে না মনেহয়। কবিতা লিখতে গেলে রিয়েল একটাকিছু লাগে।

শ্রম, টেকনিক এইসবকিছুও লাগে আমার। Continue reading

জুলাই ২৭, ২০১৪। (২)

 

টেম্পোতে ওঠার আগে চাচাতো ভাইয়ের ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলতেছিল শে । ঘাড়ে পাউডার মাইখাও ঘামতেছিল । লুঙ্গি পইড়া চইলা আসাতে সেও যাই যাই করতেছিল । কলেজ কি আজকে এতো দেরি কইরা ছুটি দিলো? না, না আমি ত আরেকটা কাজে আসছিলাম! এইটুক কথার পরে মেয়েটা টেম্পুতে ওইঠা যায় । ওর হাসি হাসি মুখ শে আর লুকাইয়াই রাখতে পারে না । অতো হাসিস না লো ছেড়ি, পাশে বইসা থাকা পাশের বাড়ির খালা কয়, মুখ টিইপা হাসতে হাসতে ।

 

জুলাই ২৭, ২০১৪। (১)

1623694_1381100882153964_161221823_n

 

বি. আর. টি. সি.’র এসি বাস আসতে দেরি হইতেছিল; বাদশা পরিবহনেই ওইঠা পড়লাম । মোবাইলে আপনা দিল তো আওয়ারা’র ফিমেইল ভারশনটা শুনতেছিলাম । দুইজনের সিটে তিনজন বসতে হইছে ; বইসা থাকা একজন মহিলা দাঁড়াইয়া থাকা একজন মহিলার সাথে গারমেন্টসে উনাদের সমস্যা নিয়া কথা বলতেছেন । টঙ্গি এলাকায় থাকেন দুইজন । একজনের জামাই আছে লগে, আরেকজন ফোনে জামাইরে কইলেন তোমার লাইগাই ত দেরি হইলো । উনি ছেলেরে নিয়া যাইতেছন, জামাই ঈদের পরে ছুটি নিবে এইকথাও কইলেন । ইফতারির আগেই আমরা ভৈরব পৌঁছাইয়া যাইতে পারবো মনেহয় ।