।। আর্ট ক্রিটিক ।।

12527899_1238145672881212_1002085726_n

আমি যেই ছবিটা দেখছিলাম সেইটা ছিল অনেকটা পেন্সিল স্কেচ; পোলাটা আরো ইয়াং, কলেজ ছাত্র টাইপ, জিন্স, টি-শার্ট, কেডস পড়া আর মাইয়াটাও টিনএজার, সালোয়ার-কামিজ পড়া। কোন চুলকাটার দোকানে, বাধাঁই-করা গণেশ, শ্রীশ্রীলোকনাথ ব্রহ্মাচারী আর অনেকের ছবির পাশে। ছবিটা মনে আছে মেইনলি ডায়ালগটার কারণেই, কিন্তু ইমোশনটার কারণেও মনেহয়। পোলাটা ফিরাও তাকাইতেছে না, কি দুঃখ না জানি পাইছে! দেবদাসের চাইতেও বেশি। পারু তো ফিরা আসে নাই। আর এইখানে পায়ে ধইরা কানতেছে! Continue reading

দ্য অ্যাক্ট অফ সাইলেন্স

The-look-of-silence

পিপল, যাঁরা পলিটিকস করেন, পলিটিকস নিয়া খুববেশি কথা বলতে রাজি না।

যেইটা আমি করতেই পারি, সেইটা নিয়া বলার কি আছে বা যেই আর্ট আমরা করি সেইখানে এই বলাবলিগুলির কোন মিনিং নাই, থাকতেও পারে না। এইগুলা তো আমি করি-ই! যা করি, সেইটা নিয়া আর্ট করার কি আছে! আর্ট হইলো যা যা আমি করতে পারতাম কিন্তু করি না বা করার কথা ভাবি কিন্তু কাউরে কইতে পারি না। যেইটা বলতে গিয়া বলা গেলো না বা বলা গেলো না-বলার ভিতর দিয়া, সেইটাই আর্ট। একটা তো আছে যে পারা যায় না, কিন্তু না-পারাগুলারে ইনভেন্ট করাও পসিবল। আর্ট আসলে খুবই হেল্পফুল একটা টুল নিজের পারসোনাল বেদনার ভিতর পাবলিক ক্রাইমটারে হাইড করার লাইগা। একজন এরিয়া কমান্ডার কি দুর্দান্তভাবে বিরহের গানটা গাইতেছিল! এর উল্টাটাও হইতে পারে একটা পারসোনাল গিল্টরে/প্লেজাররে একটা গ্রেটার পলিটিক্যাল আইডিওলজির ভিতর নিয়া ফালাইয়া দিলাম। এই উদাহারণটা কিছুটা আছে যখন আঙ্কেলটা বলে যে, আমি তো আমার ডিউটি করতেছিলাম, আমি কি করবো! ডিউটি করার মধ্যে তো কোন প্লেজার নাই বা প্লেজার থাকলে সেইটা ডিউটি হইতে পারে না আর!

যা কিছু নাই, সেইটাই আছে খালি; আর যা কিছু আছে, সেইটা আর্ট তো না-ই, আর্টের মিমিক-ই। Continue reading

আর্ট, ক্রিটিক এবং মকারি

bigstock-Critic-Concept-44655868

 

এইরকম একটা টেনডেন্সি আছে যখন আমি কোনকিছুরে মকারি করতে পারলাম, তখন তার গুরুত্ব আর নাই! কোন টেক্সটরে চিন্তার দিক থিকা বা তার সাহিত্য-মূল্যরে জিরো কইরা দিতে পারলাম। যেমন ধরেন, শামসুর রাহমান-এর কবিতার বইয়ের নাম – আমি অনাহারী; কেউ একজন কইলেন খুলে ফ্যাল (বানানে ‘য-ফলা’ দিয়া উচ্চারণটারে ক্রিটিক্যাল করা লাগবে) তোর শাড়ি! আনিসুল হক তার উপন্যাসের নাম রাখলেন ভালোবাসো, বাঁচো; কেউ একজন কইলেন, ভালোবাসো, খেঁচো! দিস আর দ্য থিংকস।

মানে, শামসুর রাহমান বা আনিসুল হক খুব ভালো কবিতা উপন্যাস লিখেন বা ব্যাপারটা খুব পবিত্র কিছু, এইসব নিয়া হাসি-ঠাট্টা করা যাইবো না, সেইটা না; বরং একটা জিনিস যেই জায়গটাতে ‘বাজে’ সেইটা না বইলা খালি মকারি করা সম্ভব বইলাই যে তারে বাতিল কইরা দেয়া যায়, এইটাই ঘটনা। এইটা এমন একটা গ্রাউন্ডে অপারেট করে যেইখানে তাদের ‘বাজে’ ধরণটা এস্কেইপের জায়গাটাই খালি খুঁইজা পায় না, রিপিটেটলি করতেও থাকতে পারে, কারণ মকারিই ত এইগুলা, সমালোচনা তো আর না! আর যারা এই ধরণের মকারি করেন তারাও ব্যাখ্যা না করতে পারাটারে এইভাবে এড়াইতে পারেন যে, এইটা নিয়া তো কথা বলার কিছু নাই, রায় ঘোষণা করেন, বাতিল! আর যারা রিসিভার এন্ডে থাকেন, তারা আরেকটু বেশি কইরাই হাসতে পারেন এবং ভাবতে পারেন যেহেতু মকারি করা যায় সেই কারণেই এরা বাতিল। এখন যে এমনেই বাতিল, তারে নিয়া আর কী কথা! Continue reading