কবি-বন্ধু

শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, মহাদেব সাহা আর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ছবি: আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন ভার্সন থিকা নেয়া।

বিনয় মজুমদারের এই কথাগুলি পইড়া পয়লা কি হইতে পারে? মনে হবে, অভিমান! পুরান ফ্রেন্ডদের উপ্রে বিলা হইয়া এইসব কইতেছেন। উনার তো এমনিতেই মাথা ঠিক নাই। একচুয়ালি এইসব উনি মিন করেন নাই, আসলে অভিমানই করতেছেন।

একটু পরে যদি আপনি মাইনাও নেন, বিনয় মজুমদারই তো কইছেন, তারপরও মনে হবে – এইভাবে হয়তো বলেন নাই উনি, পড়তে যতোটা হার্শ লাগতেছে। একটা বয়সের পরে পুরান ফ্রেন্ডদের উপর এইরকম ক্ষোভ, অভিমান থাকেই। একটা ডিসট্যান্স তো তৈরি হয়…

 

পেইজ ১

পেইজ ১

 

পেইজ ২

পেইজ ২

Continue reading

কবি, তত্ত্ব-চিন্তাবিদ এবং সমাজবিপ্লবী

এই তিনটা জিনিস ত এক না! কিন্তু আবার একইরকম হইতেও ত পারে!

আমার আগ্রহ মূলত কবি’রে নিয়া বলার। 

কবি’র কাজ কি? কবিতা লেখা। কিন্তু সে কি চিন্তাবিদ হইতে পারবে না তাই বইলা এবং সমাজ-বিপ্লবী? মুশকিলটা হইলো, এই দুইটা জিনিস ছাড়াও সে কবি হইতে পারে কিনা! মানে, ‘একলা ঘরের কোণায়’ বইসা যে কবি লিখতেছেন কবিতা, তিনিও দিনশেষে একজন চিন্তাবিদ এবং সমাজবিপ্লবী না হইলে, কবি হইতে পারবেন কিনা – এইটাই জিজ্ঞাসা।

জনমানসে এইটা সম্ভব হয় বইলা মনে হয় না।

ধরেন, এমনে তো অনেক কবি-ই আছেন তত্ত্ব-চিন্তা করেন এবং সমাজ পরিবর্তনে বিপ্লবী ধারণা নিয়া কাজ-কাম করেন, কথা-বার্তা বলেন। এর বাইরে কেউ যদি এইটা নাও করেন সিগনেফিকেন্টলি, আমার ধারণা, এইটা তার উপর চাপানো হয়। তা নাইলে জনমানসে কবি হওয়াটা বেশ দুর্বল একটা ব্যাপার মনে হইতে পারে। এই যে পারসেপশন, এইটা নিয়াই চিন্তিত হওয়া। Continue reading