কবি-বন্ধু

শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, মহাদেব সাহা আর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ছবি: আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন ভার্সন থিকা নেয়া।

বিনয় মজুমদারের এই কথাগুলি পইড়া পয়লা কি হইতে পারে? মনে হবে, অভিমান! পুরান ফ্রেন্ডদের উপ্রে বিলা হইয়া এইসব কইতেছেন। উনার তো এমনিতেই মাথা ঠিক নাই। একচুয়ালি এইসব উনি মিন করেন নাই, আসলে অভিমানই করতেছেন।

একটু পরে যদি আপনি মাইনাও নেন, বিনয় মজুমদারই তো কইছেন, তারপরও মনে হবে – এইভাবে হয়তো বলেন নাই উনি, পড়তে যতোটা হার্শ লাগতেছে। একটা বয়সের পরে পুরান ফ্রেন্ডদের উপর এইরকম ক্ষোভ, অভিমান থাকেই। একটা ডিসট্যান্স তো তৈরি হয়…

 

পেইজ ১

পেইজ ১

 

পেইজ ২

পেইজ ২

Continue reading

দুইটা কবিতা পড়া।

কবি রণজিৎ দাশের দুইটা কবিতা পড়তে গেছিলাম। সেইটা নিয়া কিছু কথা।

ধানখেতে বৃষ্টির কবিতা।। রণজিৎ দাশ।।রচনাকাল: ২০১০ – ২০১২; প্রকাশকাল: জানুয়ারি, ২০১৩; সর্প্তষি প্রকাশন।। কলকাতা, ইন্ডিয়া।। 

 

‘বধূ’ নিয়া ভাবনা

 

মূল কবিতা

মূল কবিতা

 

তুমি কি গো দেখতেছো আমি’রে?

যে আমি তুমি’রে দেখাই, তৈয়ার করি?

 

মানে, পুরান দিনের সুন্দরী ‘বধূ’রা (কি যে যৌনতা-কাতর এই শব্দ, পুরানা দিনের কথা বাদ দিলেও) কি পরকীয়া প্রেম করতো না? যেহেতু তারা ‘বধূ’, তাদের এই আইডেন্টিটির বাইরে তাদের আর কোন অস্তিত্বই ত আর নাই। যদি থাকে, সেইটা কি রকম ভয়াবহ যে, তারা আর ‘বধূ’ই থাকতে পারেন না। পজ।

Continue reading

ইন্টারভিয়্যু ফর বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

377575_10151220257002093_742719351_n

 

তানিম কবির : কবিতা কেন লিখেন— একজন কবি এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে বাধ্য কি না? যদি বাধ্য নন— তো কেন? আর হোন যদি— আপনার প্রতিও একই প্রশ্ন; কেন লিখেন কবিতা?

ইমরুল হাসান: একজন কবি কবিতা কেন লিখেন সেইটার উত্তর দিতে বাধ্য না। কারণ এই জিজ্ঞাসা আইনের আওতায় পড়ে না। তবে কে প্রশ্ন করতেছেন সেইটার উপরেও নির্ভর করে। যেমন, পুলিশ বা উকিল, থানাতে বা আদালতে জিজ্ঞাসা করলে কবি আইনত বাধ্য মনে হয় (কনফিউশন অর্থে)। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলেও উত্তর দিতে হয়। এইখানে সেইরকম একটা কিছু অনুমান কইরা উত্তর করতে গেলে বলা যায়: কবিতা লেখাটা একটা বয়সের পরে অভ্যাসই মনে হয় (নিশ্চিতি অর্থে), মাঝে মাঝে অনিচ্ছাতেও হয়তো লেখা যায়।

 

তা. ক. : ‘সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি’— এই ‘কেউ কেউ’ বা ‘কারও কারও’ কবি হয়ে ওঠায় ঐশীপ্রাপ্তির কোনও ঘটনা থাকে কি? নাকি পুরো ব্যাপারটাই রেওয়াজ নির্ভর? আপনার কী মনে হয়?

ই. হা.: শিউর না। রেওয়াজেরও ত দরকার আছে। যেমন গজল-গায়ক মেহেদি হাসান একটা ইন্টারভিউতে বলতেছিলেন ব্যায়ামের কথা, যা খুবই দরকারি ‘দম’ বাড়ানোর জন্য। কবিদের ক্ষেত্রে একটা সময় যে ড্রাগসের ব্যাপার ছিল সেইটাও মিথ্যা না। মানে, নানান রকমের রীতি ও রেওয়াজ থাকতে পারে।

অন্যদিকে বাঁইচা যে আছি এবং এখনো যে মরি নাই এইটাও একটা ঐশী ঘটনা, তাইলে কবিতা লেখার ঘটনা বাদ থাকে কেমনে! মানে, ব্যাপারটা পারস্পেকটিভের, যিনি দেখতেছেন তার ব্যাপার; যিনি লিখতেছেন উনার দিক থিকা ব্যাপারটা (ঐশীতা এবং রেওয়াজ-নির্ভরতা) খুব বেশি সিগনিফিকেন্ট কিছু না।

 

তা. ক. : এখনকার কবিদের ছন্দবিমুখতার কারণ কী বলে মনে হয় আপনার? কবিতার জন্য ছন্দের প্রয়োজনীয়তা কতোটুকু? কবিতার স্বতঃস্ফূর্ত বিস্তারে ছন্দ আপনার কাছে সহায়ক নাকি প্রতিবন্ধক?

ই. হা.: যদি আমি নিজেরে ‘এখনকার কবিদের’ অর্ন্তভুক্ত করি তাইলে আমার নিজের ক্ষেত্রে বলতে পারি পরিশ্রমের অভাব। অথবা এইটা যে খুব দরকারি একটা জিনিস এইটা ফিল না করতে পারাটাও একটা কারণ হইতে পারে।

কবিতায় ত ‘ছন্দ’ এর দরকার আছে। মানে, প্রচলিত ছন্দের (অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, স্বরবৃত্ত…) কথাও যদি ধরেন।

আমি প্রচলিত ছন্দে ঠিক ইউজড টু না। কিন্তু কেউ হইতে পারলে ভালো। Continue reading