‘আফরিন, আফরিন…’

Slavoj Zizek-এর একটা জোকস আছে Joseph Stalin’রে নিয়া, Underground (1995 film) সিনেমাটাতেও এইরকম একটা সিন আছে। যে, বক্তৃতা শেষ হওয়ার পরে অডিয়েন্স যখন হাততালি দিতে থাকে, তখন স্ট্যালিন বা ওই সময়ের কমিউনিস্ট নেতারা নিজেও হাততালি দিতে থাকেন; যে, উনিও তখন পাবলিকের হইয়া সেইটারে রিকগনাইজ করতেছেন, হাততালি দিয়া হাততালিটারে নিতেছেন।

Coke Studio’র এই গানটাতেও এইরকম একটা ঘটনা আছে। [ Momina Mustehsan চোখের পলক ফেলার ঘটনা তো আছেই, Sudip Bosu Roy  ] মিউজিকের ফিউশন তো করেই কোক স্টুডিও, একটা গানের লিরিকসের সাথে আরেকটা গানের লিরিকসও জোড়া দেয়, কিন্তু এইরকম নতুন লিরিকস ইনসার্ট করার ব্যাপারটা খেয়াল করি নাই আগে। গানটা তো এইরকম যে, আফরিন কতো সুন্দর! আর নতুন লিরিকসে আফরিনও কয়, আরে, তোমার নজর আমারে টাচ করছে বইলাই তো আমি সুন্দর হইছি! [কথা মিথ্যা না, দেখার কেউ না থাকলে আমরা কি সুন্দর হইতে পারতাম!] তখন সবাই আফরিন-এর নামটা জপতে থাকে। এই সেলিব্রেশনটা তো ভালো, কমপ্লিট করে গেইসটারে, রিকগনাইজ করে। যদি ভাবি যে সুন্দর, সেইটা সুন্দর একটা ব্যাপার, বা সুন্দরের ভাবনাটাই আসলে আসল। Continue reading

ওল্ড ব্যান্ড রিইউনিয়ন

ইন্টারপোল ব্যান্ডের ছবি, উইকিপিডিয়া থিকা নেয়া

 

দিনগুলি এইরকম যে, ফিরা ফিরা আসে। আজকে সন্ধ্যাবেলায় যেমন আসছি ওল্ড স্কুল ব্যান্ডের রিইউনিয়নে। পুরান কলোনি’তে যেইখানে থাকতাম আমরা, কলেজে পড়ার সময়ে। লিড সিঙ্গারের পায়ে নীল জুতা। তারও প্রেমিকা আসছে, তার কাছে অনেক দিন পরে। সে কনফিউজড, সে কি আরো গান গাইবো নাকি প্রেমিকার সাথে ব্যাক স্টেইজে চইলা যাবে। ব্যাক স্টেইজ বলতে অর্ধেক পর্দা দেয়া ছোট একটা রুম। সে তার কাছে গেলো, জড়াইয়া ধরলো। বেস গিটারিস্ট সামনে চইলা আসলো। সে গান গাইবে কিনা শিওর না। লিড গিটারিস্ট এবং ভোকাল যে সে প্রেমিকারে কি কি জানি বলতেছে; তাদের পুরান প্রেম নতুন হয়া উঠতেছে। শে তারে বলতেছে যে, আমি তো তোমার গান শুনতে আসছি! তোমার গানই আমার প্রেম। তুমি গান গাও। তারা তাদের ঠোঁটে চুমা খাইলো। বেস গিটারিস্ট তাদের দিকেই তাকাইয়া ছিল। লিড সিঙ্গার যখন স্টেইজের মূল জায়গাটাতে আসতে শুরু করতে করলো, তখন সে হাসলো; সরে আসলো তার জায়গায়।

তারা উড়িয়া হিপের জুলাই মনিং’টা গাইতেছিল। রাতের বেলায়। বাংলায় শুনতেছিলাম আমি। Continue reading