#প্রেম #ভালোবাসা #সুইসাইড

in_the_mood_for_love_1200x627

‘ভালোবাসা’ ব্যাপারটা নিয়াই ঝামেলা আছে মনেহয়। মানে, যেইভাবে আমরা পারসিভ করি বা করতে চাই ফিলিংসটারে। সিজার পাভিজি সুইসাইড করছিলেন আফটার ফর্টি। যদিও প্রেমের কথা বলা হয় বা রিলেটিভলি আনসাকসেসফুল রাইটিং ক্যারিয়ারের কথা।

সুইসাইডের কিছু উসিলা তো দরকার হয় আসলে। ‘ভালোবাসা’ নো ডাউট, হেল্প করে। ধরেন, আপনি কারো প্রেমে পড়ছেন, কিন্তু সে/শে আপনারে খুব একটা পাত্তা দিতেছে না; কিন্তু আপনার দিক থিকা তো ব্যাপারটা প্রেম, আপনি ফিজিক্যাল বা মেন্টাল টর্চার পর্যন্ত গেলেও।

তো, প্রেমে পাত্তা না পাওয়ার কারণে বা সোশ্যাল কারণে ধরেন, টর্চারগুলি তার/তাঁর উপ্রে করতে পারতেছেন না আর, তখন টর্চারগুলি নিজের উপ্রে নিয়া আসতে পারার একটা ঘটনা ঘটতে পারে; প্রেমরে মহান করার লাইগা বা আছেই যে, সেইটা প্রমাণ করার একটা ইউনির্ভাসাল রেসপন্সিবিলিটিও চইলা আসতে পারে। সিজার পাভিজি’র এইরকম সমস্যা থাকার কথা না। কিন্তু যারা উনার কবিতা পড়েন, তাদের মনে এইরকম সম্ভাবনার কথা থাকে মনেহয়। মানে, না থাকলে ব্যাপারটা কেমন না! একটা লোক খামাখাই সুইসাইড করবে? ইকোনমিক ঝামেলা না থাক, সোশ্যাল ঝামেলা না থাক, এটলিস্ট প্রেম-টেম থাকবে না!

 

পাবলিক ট্রুথ

অ্যাজ গুড অ্যাজ ইট গেটস সিনেমাতে এই জিনিসটা প্রথম খেয়াল করছিলাম। লাস্টের দিকে, জ্যাক নিকলসন যখন হেলেন হান্টের বাসায় গেছে, শেষ রাতের দিকে; ঘরে ঢুইকা তার অস্বস্তি লাগতেছে, কইলো যে, চলো বাইরে যাই। হেলেন কয়, এই রাতে ৪টার সময়? তখন নিকলসন কয়, আচ্ছা, এই রোডের কোণায় একটা বেকারি আছে, যারা খুব ভোরে দোকান খুলে, তো ব্যাপারটা এইরকম হইতে পারে যে, দুইজন মানুষ যারা গরম গরম রোল খাইতে পছন্দ করে, তারা হাঁটতে বাইর হইছে। তো, এই উসিলাটা পছন্দ হয়, হেলেনের। দুইজনে হাঁটতে বাইর হয়। তো, শেষে প্রেমের সিনের পরে ওরা বেকারিটাতেও যায়।

পারপাস একটা বাইর করা জরুরি। যদিও এইটাই পারপাস না। কিন্তু এই ‘ভান’ করতে পারাটা। মেবি লাইফে সবচে ক্রুশিয়াল একটা ব্যাপার। আমি কবিতা লিখতেছি, বা আমি খুব মারাত্মক একটা রিসার্চ করতেছি, বা ইর্ম্পটেন্ট রোলে চাকরি করতেছি, হোয়াটএভার… এইটা ছাড়া এক কদম আগানোও মুশকিল। কি করতেছি তার চাইতে জরুরি আসলে কি বইলা নিজেদেরকে বুঝাইতেছি। এই কাজগুলি যে করি না তা তো না, করি-ই, অনেকবেশি সিরিয়াসলিই করি; জ্যাক নিকলসন আর হেলেন হান্টও রোল খাইতে গেছিলেন তো। কিন্তু মেবি যেইটা করি, সোশ্যাল হ্যাজার্ডগুলিরে এভেয়ড করা বা পাওয়ার প্রাকটিসটারে স্মুথ করা, সার্টেন রিকগনিশনরে ভ্যালু করা বা ইগো’রে স্যাটিসফাই করা… এইসবকিছুরে কইতে চাই না। পাবলিক ট্রুথ’রে কনস্ট্রাক্ট করতে চাই বা যেই ট্রুথগুলি পসিবল, পারসোনাল বিহেভিয়ারগুলি সেইটার সাথে মিলাইয়া রাখতে চাই। Continue reading

ভয়ারিজম ইন লিটারেচার

People-peering-through-fe-005

কয়েকদিন আগে ব্যাপারটা একবার মনে হইছিলো, একজন পপুলার রাইটারের ফেসবুক স্ট্যাটাসে পুরানো পরিচিত একজনের লাইক দেইখা। ফেসবুকের সাইডের স্ক্রলবারে আসছিল উনি যে লাইক করছেন – এই জিনিসটা। স্ট্যাটাসটা পড়তে গিয়া দেখলাম পরিচিত আরো অনেকেই লাইক করছেন; অনেকে মানে যাঁরা পলিটিক্যালি আওয়ামী লীগরে সার্পোট করেন এবং আওয়ামী লীগের বিরোধী। লেখিকার নাম, তামান্না সেতু। লেখা ভালো। হুমায়ূন আহমেদের মায়ের নামে চালু করা আয়েশা ফয়েজ পুরষ্কার পাইছেন। আমি বুঝতে চাইতেছিলাম, কি কারণে উনি পপুলার? এইজন্য কয়েকটা স্ট্যাটাস পড়লাম উনার। সহজ সরল লেখা, ভাষা নিয়া কেরামতি করেন নাই, খুবই টাচি সাবজেক্ট – এইসব বিষয় তো আছেই। আমার মনে হইতেছিল, উনার একটা কী ফোকাস পয়েণ্ট হইতেছে, সেক্সুয়াল এডুকেশন। ফ্যামিলিতে যেইসব বিষয় নিয়া আমরা কথা-বার্তা বলি না, যেমন, মা তার পিরিয়ড নিয়া টিনএজার ছেলেরে বলতেছে; ওয়াইফ তার হাজব্যান্ডের সাথে সেক্স করতেছেন একটা মেয়ে-বাচ্চা পয়দা দেয়ার লাইগা, একইসাথে সোসাইটিতে রেইপ নিয়া কনসার্ন – এইসব জিনিস নিয়া নরমালি আমরা কথা বলি না, কিন্তু বলতে পারি তো। Continue reading