ট্রানজিসনাল সময়

কোথাও এসে বসে থাকি। বসে থাকার মতো সময় আছে কোথাও। শব্দ-জর্জরিত; ছন্দ-বেষ্টিত। একটা বিকাল। যাচ্ছে সন্ধ্যার দিকে। এইখানে বইসা থাকা যায়। গোধূলি সন্ধ্যায়। ফুটবল খেলার পরে নদীতে পা ধুইতে যাচ্ছে যারা তাদের দিকে তাকায়ে থাকতে থাকতে পার করা যায় এই ট্রানজিসনাল সময়।

 

দ্য মামি রিটার্নস‬

 

দ্য মামি রিটার্নস সিনেমায়, মমিগুলা যখন জাইগা ওঠে, তখন ওরা ত নিজেদেরকে জীবিতই ভাবে, তাই না? এইখানে, এইরকম জীবিত থাকার মানে হইলো, মরা-কবিতাগুলা বারবার লিইখা যাইতে পারার ঘটনা বা লিখতে পারার ঘটনাগুলারে মনে করতে পারা। এতো এতো দিন পার হৈয়া গেলো তারপরও এরা ফ্রেশ; দেখো, এমনকি ফরমালিনও দেয়া হয় নাই কোনো (এই ‘কোনো’ মিনিংলেস আবেগের এক্সপোজার, অক্সিলিয়ারি হইলেও, জরুরি); জৈবসারেই উৎপাদিত। যার ফলে, অর্গানিক ষ্টোরগুলাতেই পাওয়া যায়। বেচা কম, দাম বেশি। যদিও পাবলিক এখন এইসবের ভ্যালু টের পাওয়া শুরু করছে। এইসবকিছুর পরে হইলো. পুরষ্কার-টুরষ্কারের কথা; দুই-একটা যদি পাওয়াই যায়, ওইটা ত ফাও! এই ঈর্ষাতেও বন্দী করা গেলো নাহয় কিছু সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের!

 

জ্ঞান

 

‘জ্ঞান অতি উচ্চ, আদরের জিনিস, তাহার জন্য চীন পর্যন্ত যাইও।’ অবশ্য এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট এখন এতোটাই ইজি হইছে যে, কোন একটা কুয়া বানাইতে পারলেই নাকি হয়, ইভেন বাথরুমের বালতিতে একটুখানি জল রাইখা দিলেও, মুরাকামির গল্প থিকা ডাইরেক্ট আইসা হাজির হন, যিনি টোকিও শহররে বাঁচাইছিলেন। প্রাকটিক্যাল রুমে নিয়া আটকাইবার লাইগা লগে সেফটিপিন রাখতে পারলে আরো ভালো হয়!