“…ষড়যন্ত্র হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী”

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ২০১৪।

http://www.bd-pratidin.com/2014/01/01/35413

[নিউজ লিংক’টা এখন আর কাজ করে না, খবরটা ছাপা হইছিল মেবি ৩/৪ জানুয়ারি, ২০১৪-তে; নোট’টা জানুয়ারি ৬, ২০১৪-তে লেখা।]

এইটা গুরুত্বপূর্ণ একটা স্টেটম্যান্ট ছিল। কিন্তু রাজনীতিতে গুরুত্ব ত খুব ফ্রিকোয়েন্টলি চেইঞ্জ হয়।

সবচে সিগনিফিকেন্ট ঘটনা হইলো ‘প্রধানমন্ত্রী’ বলাটা, শেখ হাসিনা না; একটা পজিশন, কোন ইন্ডিভিজ্যুয়াল মানুষ না। ইলেকশনে একজন মানুষের তো একটাই ভোট – এইরকম সহজ-সরল-সাধারণ ব্যাপার। ইস্যু’টা যখন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কি থাকবেন না, তখন এইখানে এস্যুরেন্সটা দেয়া আছে যে, এইটা প্রধানমন্ত্রী’র স্টেটমেন্ট। প্রধানমন্ত্রী যখন ষড়যন্ত্রের কথা কইতেছেন তখন সেইটা রাষ্ট্র ও আইনের এগেনেস্টের কোন ব্যাপার।

এই যে ষড়যন্ত্র বলা, এইটা শুধুমাত্র এই ধারণা থিকা বলা না যে, ষড়যন্ত্র হইতেছে; বরং একটা এক্সপেক্টশন আকারেও হাজির আছে যে, ষড়যন্ত্রই পসিবল এখন এবং এইটা তখনই সম্ভব যখন প্রকাশ্য ও গণতান্ত্রিক বইলা যে পদ্ধতিগুলা আছে সেইটা আর সম্ভব না।

এই পরিস্থিতিটা কেমনে সম্ভব হইতেছে, এই ষড়যন্ত্রমূলকতা, সেইটা নিয়া তারপরও কথা বলা সম্ভব। কারণ কী ষড়যন্ত্র হইতেছে, তার চাইতে ভাবা দরকার কেন ষড়যন্ত্র হইতেছে। অথবা তারও আগে এই ‘ষড়যন্ত্র-ভাবনা’টা কেমনে আসতে পারলো? যেহেতু ষড়যন্ত্র, কয়টা অনুমান ত করাই যাইতে পারে:
Continue reading

গুগল বাংলাদেশরে অভিনন্দন বাংলাদেশের কনজিউমারদের গুরুত্ব দেয়ার জন্য

গুগল বাংলাদেশরে অভিনন্দন বাংলাদেশের কনজিউমারদের গুরুত্ব দেয়ার জন্য।

২৬শে মার্চ উপলক্ষ্যে গুগল বাংলাদেশের ডুডল

২৬শে মার্চ উপলক্ষ্যে গুগল বাংলাদেশের ডুডল

 

কনজিউমার হিসাবে কেউ আমারে গুরুত্ব দিতে চাইলে সেইটা নিতে আমি অ-রাজি না। ধরেন, যেই ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোর থিকা আমি সপ্তাহের বাজার করি সে আমারে ২% ছাড় দেয়, পাশে আরেকটা দোকান খুলছে বইলা। এখন এই ২% ছাড়ের ‘সম্মান’ না নেয়ার বিপ্লব করতে আমি রাজি না, কারণ ৩% দিলেই হয়তো বিপ্লবে ইস্তফা দিবো; চক্করটা এই জায়গাটাতেই – কনজিউমারিজমের ভিতরে। যখন আমি কনজিউমার, কোম্পানির দেয়া গুরুত্বরে আমি আমলে নিতে আগ্রহী।



আ্যাপল বা ফেইসবুক যে এখনো বাংলাদেশি শাখা খুলেন নাই, উনারাও এই ঘটনা থিকা উনাদের ব্যবসায়িক পজিশন রিথিংন্ক করতে পারেন।

 

চৈত্র ১২, ১৪১৯ (মার্চ ২৬, ২০১৩)

শাহবাগ ৩

30_shahbaghprotest_060213

শাহবাগ এর ২১ তারিখের ঘোষণার পর এই আন্দোলন আরো বেশি মিডিয়ার এবং আওয়ামী লীগের দখলে চইলা গেছে। এই সম্ভাবনার ভিতর শাহবাগ সবসময়ই ছিলো। কিন্তু শাহবাগ শুরু হইছিলো মিডিয়ার রিয়ালিটির বাইরে (যদিও মিডিয়া এইটারে কব্জা করতে খুববেশি সময় নেয় নাই) এবং সরকারের বিরোধিতায় (যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে রাজনৈতিক ছাড় দেয়া হইতেছে); আর এখন পরিণত হইতেছে একটা মিডিয়া রিয়ালিটিতে এবং সরকারি আন্দোলনে। এইটারে এই আন্দোলনের রাজনৈতিক ব্যর্থতা হিসাবেই দেখা সম্ভব। আওয়ামী ডিলেমার বাইরে শাহবাগ এর অন্য তেমন কোন রাজনৈতিক অপশন এখনো নাই। থাকাটা সম্ভব যদি শাহবাগ নিজেই একটা পলিটিক্যাল আইডেন্টিটি হয়া উঠতে পারে। 

অবশ্য শাহবাগের রাজনৈতিক মিত্র এবং শত্রু সবাই এইটাই চাইছে যে, শাহবাগ যেন বর্তমান রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাইরে কোন অবস্থান তৈরি করতে না পারে। কারণ, শাহবাগের অবস্থান এমন কিছু রাজনৈতিক প্রশ্নরে সামনে নিয়া আসে যারে রাজনৈতিক দলগুলা সরাসরি ডিল করতে প্রস্তুত না, এইটা উনাদের রাজনৈতিক সংকট তৈরি করে। এর মধ্যে ত অবশ্যই অন্যতম, মুক্তিযুদ্ধ এবং ইসলাম। এইটা শুধুমাত্র শাহবাগ-ই না, বাংলাদেশের ইন্টেলেকচুয়ালিটিরও মূল জায়গা।

Continue reading