~ ডেক্সটার সিজন টু ~

11438

সেলফরে এক্সপ্লেইন করা যায় না আসলে। একটা ধূলার কণার ভিতর দিয়া পুরা দুনিয়া দেখতে পারেন আপনি (কাব্য না এইটা, পসিবল); কিন্তু ধূলার কণা যে কি জিনিস সেইটা বলতে পারবেন না। এইটা ওইটা বইলা বুঝাইতে হইবো যে, বাতাসে ওড়ে জিনিসটা, খালি চোখে এমনিতে দেখাও যায় না ঠিকমতো… মানে, ধূলার কণা হইলো একটা আমার দেখা ধূলিকণা, টায়ারিংই এইরকম বলতে চাওয়াটা। এইরকমের একটা ঝামেলা আছে ডেক্সটারের সেকেন্ড সিজনের কাহিনিটাতে।

নিজের ভাইরে খুন কইরা ঝামেলাতে আছে সে। খুন করতে পারে না আর। গার্লফ্রেন্ডের এক্স-হাজব্যান্ডরে জেলে পাঠানোর ঘটনাটাতে ধরা খাইয়া সত্যি কথা বলতে হয়। বইলা বিপদ আরো বাড়ে। সেলফ বইলা একটা বালছাল রিভিল হইতে শুরু করে। আর যখন সেলফ বইলা একটাকিছুরে ভাবতে পারতেছেন আপনি তখন আদার-এর অ্যাডভাইস নিতে হয়। আদাররেই আপনি সেলফ ভাইবা বসেন ভুল কইরা, চাইতে থাকেন তারে; একটা সময় পরে বুঝা যায় আদারের ডিজায়ারটাই আদার। আদারও আসলে সেলফই আরেকটা। তখন সে তার ইমাজিনেশনের কাছে ফেরত আসতে পারে আবার। এইসব ভগিচগি করতে গিয়া খুনের ব্যাপারটাই মাইনর হয়া যায়। খুন করাটা কি ভালো, না খারাপ? কিসের বেসিসে সিরিয়াল কিলার হইবো আমরা? – এইসব নিয়া আজাইরা ফিলোসফিক্যাল প্যাঁচাল। Continue reading

পেগি

america_primary

ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন আম্রিকা’তে একটা ছোট ফিমেইল কারেক্টার আছে, পেগি নামে। পেগির সাথে কিশোর ডেভিড অ্যারিনসনের (নুডুলস নামটাই বেশি সুন্দর আসলে) ফার্স্ট এনকাউন্টার হয় টয়লেটে, পেগিরে আসতে দেইখা সে টয়লেটের ছিটকানি খুইলা রাখে। সে প্রেমে পড়ে ডোর্বা’র, কিন্তু সেক্স করতে চায় পেগি’র লগে। কারণ শে সেক্স বেচে, অনেকবেশি রিচেবল এবং রিয়েলও মে বি। পেগি এমনিতে ব্যবসায়ীই, কিন্তু তাঁর পুঁজি কম, শরীরটা খালি। কিন্তু পেগির ব্যবসাটারে মূলধন কইরা ম্যাক্স-নডুলুসরা আরো বড় ব্যবসা করে।
পেগির সাথে পুলিশ অফিসারটা সেক্স করার সময় ওরা ছবি তুইলা পুলিশরে কব্জা কইরা ওদের গ্যাং’টা দাঁড়া করাইতে পারে। পরে পেগিও থাকে ওদের সাথে। শে গ্যাং’টার মেম্বার না, কিন্তু গ্যাং’টার সাথে কানেক্টেড, ওদের সব পার্টিতে শে থাকে, আড্ডা দেয়, লাগলে সার্ভিসও দেয়, এইরকম।

Continue reading

দ্য অ্যাক্ট অফ সাইলেন্স

The-look-of-silence

পিপল, যাঁরা পলিটিকস করেন, পলিটিকস নিয়া খুববেশি কথা বলতে রাজি না।

যেইটা আমি করতেই পারি, সেইটা নিয়া বলার কি আছে বা যেই আর্ট আমরা করি সেইখানে এই বলাবলিগুলির কোন মিনিং নাই, থাকতেও পারে না। এইগুলা তো আমি করি-ই! যা করি, সেইটা নিয়া আর্ট করার কি আছে! আর্ট হইলো যা যা আমি করতে পারতাম কিন্তু করি না বা করার কথা ভাবি কিন্তু কাউরে কইতে পারি না। যেইটা বলতে গিয়া বলা গেলো না বা বলা গেলো না-বলার ভিতর দিয়া, সেইটাই আর্ট। একটা তো আছে যে পারা যায় না, কিন্তু না-পারাগুলারে ইনভেন্ট করাও পসিবল। আর্ট আসলে খুবই হেল্পফুল একটা টুল নিজের পারসোনাল বেদনার ভিতর পাবলিক ক্রাইমটারে হাইড করার লাইগা। একজন এরিয়া কমান্ডার কি দুর্দান্তভাবে বিরহের গানটা গাইতেছিল! এর উল্টাটাও হইতে পারে একটা পারসোনাল গিল্টরে/প্লেজাররে একটা গ্রেটার পলিটিক্যাল আইডিওলজির ভিতর নিয়া ফালাইয়া দিলাম। এই উদাহারণটা কিছুটা আছে যখন আঙ্কেলটা বলে যে, আমি তো আমার ডিউটি করতেছিলাম, আমি কি করবো! ডিউটি করার মধ্যে তো কোন প্লেজার নাই বা প্লেজার থাকলে সেইটা ডিউটি হইতে পারে না আর!

যা কিছু নাই, সেইটাই আছে খালি; আর যা কিছু আছে, সেইটা আর্ট তো না-ই, আর্টের মিমিক-ই। Continue reading