দুইটা খবর

Brief_0

দুইটা খবরের দুইটা লাইনে চোখ আটকাইলো, মানে ভাবা লাগলো (ভাষা বাল, রেটরিকে ভরপুর!)।

একটা হইলো, ঢাকা ট্রিবিউনের। http://bit.ly/29MCu8F। উদিসা ইমনের শেয়ারটার কারণে দেখলাম। ওইখানে, একজন কইতেছিলেন, “ছাত্র পরিচয় দিয়েছিল, দেখতেও ছাত্রদের মতোই।“ মানে, একটা লুক আছে, যেইটা দিয়া আপনি বুঝতে পারবেন উনি ছাত্র, উনি গার্মেন্টস ওয়ার্কার, উনি সাংবাদিক, উনি ব্যাংকার, এইরকম…। লুকটারে নিতে পারলেই কিন্তু হইলো, আবার ছাত্র হইয়াও ছাত্র’র মতো না দেখানোর কারণে আপনি ছাত্র নাও হইতে পারেন। আর ছাত্র হইলে যে জঙ্গী হইতে পারবেন না, এইটা তো সবাই বিলিভ করে। মানে, ট্রুথের চাইতে ট্রুথের পারসেপশনটাই জরুরি সবসময়। আমি ভালোমানুষ, তার চাইতে জরুরি হইতেছে নিজেরে ভালোমানুষ দেখানোটা। দ্যান, ইটস ডান। এইরকম দাড়ি দেইখা রাজাকার বানাইছি আমরা, জিন্স দেইখা স্টুডেন্ট বানাইতেছি, লুঙ্গি দেইখা রিকশাওলা। এই বানানো (প্রটোটাইপ) রিয়ালিটি থিকা বাইর না হইলে রিয়ালিটিরে দেখতে পাওয়ার চান্স আসলেই অনেক কম।

Continue reading

পকরিতি’র বর্ণনা

বারিধারায়, গাছের সবুজ পাতাগুলার ফাঁকে, হঠাৎ দেখি লাল, কৃষ্ণচূড়া… এপ্রিলে, অংসখ্য প্রজাপতি বসে আছে এক একটা গাছে, অথবা প্রিণ্টের লুঙ্গি ঝুলতেছে অনেকগুলা, জয়নালের; খুন কইরা পালাইয়া আসছিলো যে আমাদের শহরে, গাঞ্জা খাইয়া উল্টা-পাল্টা নাচতেছে, সকালবেলা… রং মানেই কল্পনা! কি করতাম আমি যদি না দেখতাম, যদি হরতালের দিনে রিকশার জ্যামে না আটকাইতাম, যদি বইসা থাকতাম ঘরে, লিখতাম নিয়তি-নির্ভর গল্পগুলা… রাস্তায় মানুষের ভীড়; ইউরোপের কোন কোন শহরে নাকি মানুষই নাই, ওরা প্রকৃতি দেখে আর হয়তো ভাবে, মানুষের কথাই; ওদের কল্পনার ভিতরেও ফুটে নিশ্চয় লাল কৃষ্ণচূড়া, চৈত্রের শেষে, বৈশাখের… এইখানে এপ্রিলে যেমন না দেইখা আর পারাই গেলো না, ছোপ ছোপ রক্তের মতো, মুর্গি-সভ্যতার রং, কাঁচাবাজারের এক কোণায় যে হত্যাদৃশ্য, তার স্মৃতি রিপিট করতেছে গাছেরা; বৃক্ষপ্রেমিকেরা বইসা ঝিমাইতেছে, নার্সারিতে; আবারো কি ঘুমাইয়া পড়বে নাকি, এই নিয়া চিন্তা নাই; হালকা বাতাস তার তীব্র রোদের গান গাইতেছে…

 

চৈত্র ২৭, ১৪১৯