পাবলিক ট্রুথ

অ্যাজ গুড অ্যাজ ইট গেটস সিনেমাতে এই জিনিসটা প্রথম খেয়াল করছিলাম। লাস্টের দিকে, জ্যাক নিকলসন যখন হেলেন হান্টের বাসায় গেছে, শেষ রাতের দিকে; ঘরে ঢুইকা তার অস্বস্তি লাগতেছে, কইলো যে, চলো বাইরে যাই। হেলেন কয়, এই রাতে ৪টার সময়? তখন নিকলসন কয়, আচ্ছা, এই রোডের কোণায় একটা বেকারি আছে, যারা খুব ভোরে দোকান খুলে, তো ব্যাপারটা এইরকম হইতে পারে যে, দুইজন মানুষ যারা গরম গরম রোল খাইতে পছন্দ করে, তারা হাঁটতে বাইর হইছে। তো, এই উসিলাটা পছন্দ হয়, হেলেনের। দুইজনে হাঁটতে বাইর হয়। তো, শেষে প্রেমের সিনের পরে ওরা বেকারিটাতেও যায়।

পারপাস একটা বাইর করা জরুরি। যদিও এইটাই পারপাস না। কিন্তু এই ‘ভান’ করতে পারাটা। মেবি লাইফে সবচে ক্রুশিয়াল একটা ব্যাপার। আমি কবিতা লিখতেছি, বা আমি খুব মারাত্মক একটা রিসার্চ করতেছি, বা ইর্ম্পটেন্ট রোলে চাকরি করতেছি, হোয়াটএভার… এইটা ছাড়া এক কদম আগানোও মুশকিল। কি করতেছি তার চাইতে জরুরি আসলে কি বইলা নিজেদেরকে বুঝাইতেছি। এই কাজগুলি যে করি না তা তো না, করি-ই, অনেকবেশি সিরিয়াসলিই করি; জ্যাক নিকলসন আর হেলেন হান্টও রোল খাইতে গেছিলেন তো। কিন্তু মেবি যেইটা করি, সোশ্যাল হ্যাজার্ডগুলিরে এভেয়ড করা বা পাওয়ার প্রাকটিসটারে স্মুথ করা, সার্টেন রিকগনিশনরে ভ্যালু করা বা ইগো’রে স্যাটিসফাই করা… এইসবকিছুরে কইতে চাই না। পাবলিক ট্রুথ’রে কনস্ট্রাক্ট করতে চাই বা যেই ট্রুথগুলি পসিবল, পারসোনাল বিহেভিয়ারগুলি সেইটার সাথে মিলাইয়া রাখতে চাই। Continue reading

বিচারে ট্রুথ আবিষ্কারের ঘটনা

PCTV-1000082950-hl

Talvar এর সবচে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার এইটাই যে, প্রতিটা ন্যারেটিভ’রে ভিজ্যুয়ালাইজ করছে সে। মানে, কি কি হইছে – এইটারে যে যেমনে কইছে সেইটা খালি কওয়ার মধ্যে আটকাইয়া রাখে নাই [বার্গম্যান করছিলেন পারসোনা’তে, মোস্ট ইরোটিক কইছেন তারে জিজেক…। কারণ এইটা অডিয়েন্সরে ভিজ্যুয়ালাইজ করার প্লেজারটা দেয়।] এতে কইরা অডিয়েন্স আরো কনফিউজড হইতে পারে। বলা-কথা সত্য বা মিথ্যা হইতে পারে, কিন্তু যেই জিনিস দেখতেছে একজন সেইটা মিথ্যা হওয়াটা একটু মুশকিলই। যা কিছু আমরা দেখতে পারি [থ্রু আইস অর ইমাজিনেশন], সেইটা এক ধরণের সত্যি – এই কনফিউশনটারে ইউজ করছেন ডিরেক্টর।

মূল ঝামেলাটাও ইন্টারেস্টিং, যখন মিনিস্ট্রি’র সাথে দুইটা ডিফরেন্ট রিপোর্ট নিয়া সিবিআইএ’র লোকজন বসে। নতুন ডিরেক্টর না পাইরা কয় যে, আপনি আদালতের হাতে ছাইড়া দেন! সচিব তখন কয়, আরে আমরা যদি ডিসিশান নিতে না পারি তাইলে আদালত কি ডিসিশন নিবো! পরে আদালত যাতে উনাদের ডিসিশান নিতে পারে সেই ব্যবস্থাই করতে পারেন মনেহয় নতুন সিবিআই ডিরেক্টর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যেই কারণে খুন করার ব্যাপারটা অ্যাকসেপ্টবল হইতে পারে আলাপের মধ্যে, সেইটা খুন না, বরং এই অনুমানটা যে, প্যারেন্টসরা ‘অবৈধ’ সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি করছিলেন বা করতেন নিয়মিত। Continue reading

অ্যাবসার্ড ইজ দ্য নিউ রিয়েল: ফানি গেইমস

13592436_10153623413007093_1578222227498654979_n

ফানি গেইমস যে ওয়েটিং ফর গডো’র সেকেন্ড পার্ট এইটা প্রুভ করাটা একটু মুশকিলই হওয়ার কথা। করা যাইবো না যে তা না; কিন্তু এতো ডিটেইলসের তো দরকারও পড়ে না মনেহয় সবসময়।

গডো’তে যেমন দুইজন আছেন, ফানি গেইমসেও দুইজনেরই খেলা এইটা। (আরো অনেক কাহিনি’তেও দুইজন আছেন নিশ্চয়।) তবে এইখানের খেলাটা দুইজনের মধ্যের না এতোটা। দুইজন দুইজনের জায়গা থিকা বাইর হইয়া অন্যদের লগে খেলতেছেন। গডো’তে অডিয়েন্স সেইফ কারণ তাঁরা জানেন যে উনারা নাটকের পার্ট না, উনাদেরকে দেখানো হইতেছে খালি। ফানি গেইমসে ব্যাপারটা এক্সটেন্ড হইছে, ওই অ্যাবসার্ড দুইজন আইসা তাদের নাটকটা করা শুরু করছে আমাদের মতোন কমন পিপলদের লগে।

আমরা, যাঁরা কমন পিপল, ফ্যামিলি ম্যান, চাকরি-বাকরি করি, তেমন টাকা-পয়সা নাই হলি আর্টিসানে যাওয়ার মতো, কিন্তু আছে কিছু, মাঝে মধ্যে ফরেন মদ খাইতে পারি, বছরে/ছয়মাসে একবার ঘুরতে যাওয়ার কথা ভাবি, এইরকম; ডিসাইড করতে পারতেছি না এই নাটকটাতে বিশ্বাস করবো কিনা। চাইলেই দৌড়ায়া বাইর হইয়া যাইতে পারি আর ফিরা আসলাম না। কইলাম যে, ভাই এইগুলা তো নাটক-ই। কিন্তু যেই ডর এইটা ইনসার্ট করে আমাদের মনে, সেইটা থিকা বাইর হওয়া যায় না। Continue reading