গুড, ব্যাড অ্যান্ড অনেস্ট: এক্স-মেশিনা

সিনেমার পোস্টার

ক্যাপাবল মেইলরাই আসলে ফিমেইল মেশিন বানায় (আর ফিমেইল যিনি বানাইতে পারেন তিনিই তো মেইল, ক্যাপাবল)। আর কি রকমের খচ্চর শালা, ইনফিরিয়র মেশিনগুলিরে কাজের মেয়ে বানায়া তার লগে যা তা বিহেভ করে। মানে, কাজের মেয়ে বানানোটা বেশি বাজে আসলে, এক ধরণের স্লেভারি। আমার ধারণা, এই টাইপটা বানানোর সময় সার্চিং-এ পর্ণ-এর রেজাল্টগুলিরে ফিল্টার করতে ভুইলা গেছিলো সে (যদিও এইটা বলে না সিনেমাতে), যার ফলে শে বডি দিয়া রিকগনাইজ করতে চায় সবকিছু, বেশ দেহবাদী বিহেভ করে, শেষে হিউম্যান বডিরে খুন করার লাইগা ছুরি সাপ্লাই দিতে পারে। কিন্তু ইভা এইরকমের বেকুব না, ছবি আঁকে, প্রেম করে; একটা বড় রাস্তার ইন্টারসেকশনে (ভ্যাজাইনা’র সাইনই তো, নাকি?) দাঁড়ায়া ডেটিং করার কথা বলে। কি কিউট! আসলে টেকনিকগুলি যত পুরান, ততবেশি এফেক্টিভ।

ইয়াং পোলাটারও খারাপ লাগে যে, তার ক্যাপাবিলিটির লাইগা তারে নেয়া হয় নাই, নেয়া হইছে সে ‘ভালো মানুষ’ বইলা। তো, ভালো মানুষ হইলো যে ইথিক্যালি ডিসিশান নেয়, ইমোশনালি বায়াসড হয়; লজিক্যাল চিন্তা করতে পারে না – এইসব কোয়ালিটিরে ‘ভালো মানুষ’ বইলা চালানোটা আসলে ঠিক না। মানে, কোন না কোন বোকামি না থাকলে কেউ ‘ভালো’ হইতে পারবে না, কি আজিব! Continue reading

সাহেবজানের পাকিজা হওয়া

সিনেমার পোস্টার

বিয়া যে কি ইর্ম্পটেন্ট জিনিস এইটা পাকিজা (১৯৭২) সিনেমা দেখলে বুঝতে পারা’র কথা। বিয়া পড়ানোর সময় সাহেবজান-এর নাম দেন রাজ কুমার পাকিজা বইলা আর সেইটাই সিনেমার নাম।

সিনেমাটাও প্রেম আর বিয়া নিয়াই। অশোক কুমার নার্গিস নামের এক তাওয়াইফরে (তাওয়াইফরে বেশ্যা বইলা ট্রান্সলেট করলে ভুল হবে) কথা দেন বিয়া করার, বাড়িতে নিয়া আসেন, কিন্তু তার বাপ তারে জায়গা দেয় না, তখন নার্গিস দৌড় মাইরা চইলা যায়, একটা কবরস্থানে গিয়া এক মেয়েরেই পয়দা দেয় শে। সেই মেয়ে’রে তার খালা নিয়া আইসা তাওয়াইফই বানায়। কিছুদিন পরে অশোক কুমার তার খোঁজ পাইয়া যায়, তখন ট্রেনে কইরা পালাইয়া যাওয়ার সময় রাজকুমার (সেলিম) মীনাকুমীরী’রে (সাহেবজান) ঘুমানো অবস্থা দেখে আর একটা চিঠি লেইখা তার পায়ের আঙুলের চিপায় রাইখা যায়। সেই চিঠির কথা সাহেবজান আর ভুলতে পারে না। এর মধ্যে এক পাওয়ারফুল জমিদার, যে নাচ-গানের সমঝদার, সাহেবজানরে ভাড়া কইরা বোটে নিয়া যায়, তখন পাগলা হাতি আসে নদীর পাড়ে আর জমিদার তাদেরকে গুলি করলে হাতিগুলি আইসা তারে মাইরা ফেলে আর সাহেবজান ভাসতে ভাসতে মায়াবী নদীর তীরে’র একটা তাবুতে চইলা আসে আর ডাইরি পইড়া জানতে পারে এই লোকই সে, সেলিম; যে তারে চিঠি লিখছিলো। সেলিম হইলো ফরেস্ট অফিসার; পরের দিন সে যখন কাজে যায় তখন কুঠি’র লোকজন আইসা সাহেবজানরে খুঁইজা পায় আর নিয়া যায়। Continue reading

মিডিয়ার স্টোরিই হইতেছে ঘটনা

সিনেমার পোস্টার

মিডিয়ায় শিশুহত্যা নিয়া যাঁরা চিন্তিত আছেন, তাঁরা এই মুভি’টা দেখতে পারেন। নিউজ ইন্ডাস্ট্রি কেমনে ফাংশন করে সেইটার একটা স্টোরি আছে: প্রফিট > টিআরপি > নিউজ প্রডিউসারের চাকরি > রিপোর্টারের শিকার কাহিনি > ঘটনা। উল্টাভাবে ঘটনা খুব কমই ঘটে। মানে, ঘটনা তো মিডিয়াতেই ঘটে।

বেশ আগে একবার মনে হইতেছিল, ধরেন বাংলাদেশ পুরুষ  ক্রিকেট টিম ইন্ডিয়া পুরুষ ক্রিকেট টিমের সাথে জিতলো। তারপরে আপনার জাতীয়তাবাদী মাইন্ড থাকলেই হয় না, সেইটা যে আছে তারে বলা লাগে, বাংলাদেশ জিতছে! আটার করা লাগে। ইভেন মোর একসাইটেটমেন্ট ক্রিয়েট হয়, পরের দিন নিউজপেপারে বা নিউজপোর্টালগুলিতে নিউজটা পড়তে থাকলে। এইরকম বারবার বলার ভিতর দিয়া ঘটনাটা ক্রিয়েট হয় আসলে। যা ঘটতেছে সেইটা যতোটা না সত্যি, যা বলতেছি সেইটা তার চাইতে বেশি সত্যি! এমনকি না কইলে মনে হইতে পারে যেন ঘটনাটা ঘটেই নাই। বিশ্বজিৎ মার্ডারের ঘটনা নিয়াও কইছিলাম, কিভাবে ইনটেন্স হইতে পারে ব্যাপারটা।  Continue reading