পেগি

america_primary

ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন আম্রিকা’তে একটা ছোট ফিমেইল কারেক্টার আছে, পেগি নামে। পেগির সাথে কিশোর ডেভিড অ্যারিনসনের (নুডুলস নামটাই বেশি সুন্দর আসলে) ফার্স্ট এনকাউন্টার হয় টয়লেটে, পেগিরে আসতে দেইখা সে টয়লেটের ছিটকানি খুইলা রাখে। সে প্রেমে পড়ে ডোর্বা’র, কিন্তু সেক্স করতে চায় পেগি’র লগে। কারণ শে সেক্স বেচে, অনেকবেশি রিচেবল এবং রিয়েলও মে বি। পেগি এমনিতে ব্যবসায়ীই, কিন্তু তাঁর পুঁজি কম, শরীরটা খালি। কিন্তু পেগির ব্যবসাটারে মূলধন কইরা ম্যাক্স-নডুলুসরা আরো বড় ব্যবসা করে।
পেগির সাথে পুলিশ অফিসারটা সেক্স করার সময় ওরা ছবি তুইলা পুলিশরে কব্জা কইরা ওদের গ্যাং’টা দাঁড়া করাইতে পারে। পরে পেগিও থাকে ওদের সাথে। শে গ্যাং’টার মেম্বার না, কিন্তু গ্যাং’টার সাথে কানেক্টেড, ওদের সব পার্টিতে শে থাকে, আড্ডা দেয়, লাগলে সার্ভিসও দেয়, এইরকম।

Continue reading

গুড, ব্যাড অ্যান্ড অনেস্ট: এক্স-মেশিনা

সিনেমার পোস্টার

ক্যাপাবল মেইলরাই আসলে ফিমেইল মেশিন বানায় (আর ফিমেইল যিনি বানাইতে পারেন তিনিই তো মেইল, ক্যাপাবল)। আর কি রকমের খচ্চর শালা, ইনফিরিয়র মেশিনগুলিরে কাজের মেয়ে বানায়া তার লগে যা তা বিহেভ করে। মানে, কাজের মেয়ে বানানোটা বেশি বাজে আসলে, এক ধরণের স্লেভারি। আমার ধারণা, এই টাইপটা বানানোর সময় সার্চিং-এ পর্ণ-এর রেজাল্টগুলিরে ফিল্টার করতে ভুইলা গেছিলো সে (যদিও এইটা বলে না সিনেমাতে), যার ফলে শে বডি দিয়া রিকগনাইজ করতে চায় সবকিছু, বেশ দেহবাদী বিহেভ করে, শেষে হিউম্যান বডিরে খুন করার লাইগা ছুরি সাপ্লাই দিতে পারে। কিন্তু ইভা এইরকমের বেকুব না, ছবি আঁকে, প্রেম করে; একটা বড় রাস্তার ইন্টারসেকশনে (ভ্যাজাইনা’র সাইনই তো, নাকি?) দাঁড়ায়া ডেটিং করার কথা বলে। কি কিউট! আসলে টেকনিকগুলি যত পুরান, ততবেশি এফেক্টিভ।

ইয়াং পোলাটারও খারাপ লাগে যে, তার ক্যাপাবিলিটির লাইগা তারে নেয়া হয় নাই, নেয়া হইছে সে ‘ভালো মানুষ’ বইলা। তো, ভালো মানুষ হইলো যে ইথিক্যালি ডিসিশান নেয়, ইমোশনালি বায়াসড হয়; লজিক্যাল চিন্তা করতে পারে না – এইসব কোয়ালিটিরে ‘ভালো মানুষ’ বইলা চালানোটা আসলে ঠিক না। মানে, কোন না কোন বোকামি না থাকলে কেউ ‘ভালো’ হইতে পারবে না, কি আজিব! Continue reading

ইউর ওয়াইফ লাভস ইউ!

সিনেমার পোস্টার

 

আপনার বউ আপনারে ভালোবাসে, এতোটাই যে আপনি অ্যাডাল্টারি কইরা ধরা খাওয়ার পরেও যদি প্রুভ করতে পারেন, একটা মোমেন্টেও (তবে অবশ্যই সেইটা পাবলিকলি হইতে হবে, টিভি-রিয়ালিটি শো’তে হইলে আরো ভালো) যে, আপনি তার লাইগা ফিল করেন; তাইলে শে আপনার লাইগা খুনও করতে পারে! তখন আপনার হয়তো একটু ডর লাগতে পারে, কিন্তু দ্যাটস লাইফ। ভুল যখন করছেন, ভয় তো একটু থাকতেই পারে লাইফে, তাই না?

বেন অ্যাফ্লেকের আগের মুভি আরাগো’টা আছিলো ইরান নিয়া আম্রিকার টেনশনটা; যে, ইউর কান্ট্রি নিডস ইউ! হলিউড’রে দরকার তখন আম্রিকার! এই বছরের মুভি গন গার্ল’টারে বলা যায়, ইউর ওয়াইফ লাভস ইউ! আরাগো-তে ফেইক জিনিস কইরা, মিথ্যা কথা বইলা মানুষ’রে (যে মানুষ হইলো সত্য) বাঁচাইতে হয়। গন গার্ল-এ সত্য গোপন কইরাই মানুষ’রে (যারে আপনি ভালোবাসেন, শে-ই হইলো মানুষ আসলে) বাঁইচা থাকতে হয়। এর লাইগা যারে আপনি ভালোবাসেন না, তারে মাইরা ফেলাটা জায়েজ আছে। যেই মানুষের মনে ভালোবাসা নাই, মানে যারে আপনি ভালোবাসেন না, সে আবার মানুষ কেমনে হয়! কুত্তা-বিলাইও মানুষ হইতে পারে, আপনি ভালোবাসাতে পারলে! ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনের ওরাও এইটাই দেখে। Continue reading